EN
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

‘কাতারের বিপক্ষে জেমি ডে না থাকলে বড় প্রভাব পড়বে’

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশিত: ০৮:২৪ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০২০

কাতারের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচ আর ৯ দিন পর। এর মধ্যে করোনা নেগেটিভ হয়ে প্রধান কোচ জেমি ডে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন কিনা, তা নিশ্চিত নয়। তিন তিনবার পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ হয়েছে কোচের। আরেকবার পরীক্ষা করানোর অপেক্ষায় তিনি। করোনামুক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত কাতারে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারলে সেটা অবশ্যই ভালো খবর হবে। যদি যোগ দিতে না পারেন?

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন মনে করেন, প্রধান কোচ জেমি ডে কাতারের বিপক্ষে থাকতে না পারলে বড় প্রভাব পড়বে। বুধবার বিকেলে হঠাৎ করেই গণমাধ্যমে ডেকে জাতীয় দলের কাতার সফর এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।

কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘কাতারের সঙ্গে কোনো তুলনা হয় না। তারা এশিয়ার এক নম্বর দল। ইতিমধ্যে কাতার লিগ শুরু করেছে। এই ম্যাচ সামনে রেখে দলটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া ও কোস্টারিকার বিপক্ষে। এমন এক দলের বিপক্ষে তাই আমাদের প্রত্যাশা কম। আট মাস পর আমরা তিন সপ্তাহ আগে ফুটবল শুরু করেছি। আমাদের লক্ষ্য থাকবে যাতে কাতারে কম ক্ষতি হয়, বড় কোনো বিপর্যয় না হয়। হারলেও গোল ব্যবধান যেন কম থাকে। সাবেক ফুটবলার হিসেবে বলছি-সেটাই মূল কাজ।’

কাতার ও নেপাল এক কথা নয় উল্লেখ করে বাফুফে সভাপতি বলেছেন, ‘নেপালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে জেমি ডে করোনা পজিটিভ হয়েছেন। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে প্রভাব পড়েনি। তবে কাতারের বিপক্ষে ম্যাচে অনেক বড় প্রভাব পড়বে জেমি না থাকলে। নেপালের বিপক্ষে যে স্টাইলে খেলা হয়েছে, কাতারের বিপক্ষে হবে অন্য টেকনিকে। সহকারী কোচ সেই প্ল্যানে খেলাতে পারবেন কিনা, সন্দেহ আছে। জেমি যেতে না পারলে তার অভাবটা ফুটবলাররা অনুভব করবে। তবে, আমি আশা করছি জেমি সুস্থ হবেন, পরবর্তী পরীক্ষা নেগেটিভ হবে।’

হঠাৎ করে কাতারের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলা প্রসঙ্গে কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘কাতারের বিপক্ষে তো খেলতেই হবে। আমি যখন ট্রেনিংয়ের সুবিধা পাব, তখন খেলে নিচ্ছি। রেজাল্ট যাই হোন না কেন। আমাদের নজর বেশি ভারত ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে। সেগুলো অন্যরকম হবে। এ দুই ম্যাচে আমরা হারতে চাই না। ওই ম্যাচগুলোর আগে ১০-১২ দিন ট্রেনিং হবে।’

প্রশ্ন উঠেছিল জাতীয় দলের ম্যানেজার নিয়েও। এ প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতি বলেছেন, ‘আমি এখনো বেতনভুক্ত ম্যানেজারের পক্ষে। ন্যাশনাল টিমস কমিটি প্রস্তাব দিয়েছে। চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে পেশাদার ম্যানেজার ঠিক করতে। সাবেক খেলোয়াড় হলেই হবে না। অনেক যোগ্যতা লাগবে। সেরকমই খুঁজছি। ম্যানেজার পোস্টটা টেকনিক্যাল না।’

বাদল রায়ের মরদেহ দেখতে না আসা প্রসঙ্গে কাজী মো. সালাউদ্দিনের ব্যাখ্যা, ‘যাওয়ার জন্য তৈরি ছিলাম। নাবিলের সঙ্গে কথাও হয়েছে। তবে আমি অসুস্থ ছিলাম। ভয় পেয়েছিলাম করোনাই হলো নাকি। পরের দিন ভোরবেলা করোনা পরীক্ষা করেছি। এখনো রেজাল্ট পাইনি। এখন একটু বেটার ফিল করছি বলেই আসছি এখানে। ওখানে অন্য কোনো কারণ নেই। সাধারণ সম্পাদক ও নাবিলকে বারবার বলেছি আমি আসবো। আসতে পারিনি অসুস্থ থাকায়। খারাপ লাগায় সোফার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।’

আরআই/এমএমআর/এমকেএইচ