মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না : ন্যাপ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১০ পিএম, ০৩ মে ২০২১

মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া।

সোমবার (৩ মে) ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তারা।

ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেন, 'বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন ইতিহাসের সবচাইতে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। নগ্ন থাবায় সংবাদমাধ্যম পুরোপুরি শৃঙ্খলিত। সকলের মনে রাখতে হবে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একে অপরের পরিপূরক। গণতন্ত্র না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকে না, তেমনই মুক্ত গণমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।'

তারা আরও বলেন, 'শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষুর কাছে গণমাধ্যমকে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে। শাসকগোষ্ঠী মুখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বললেও প্রকৃত অর্থে তারাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে পদদলিত করছে। শাসকগোষ্ঠী সকল সময়ই নিজেদের স্বার্থে বার বার গণমাধ্যমকেই টার্গেট করে।'

স্বাধীনতার ৫০ বছরে বহুবার গণমাধ্যম আক্রমণের শিকার হয়েছে উল্লেখ করে ন্যাপের নেতারা বলেন, 'এমন আক্রমণের শিকার হয়েছে যা সকল কিছুই মুক্ত গণমাধ্যম নীতির পরিপন্থী। সরকারের সমালোচনা করায় এবং বিরোধী সংবাদ পরিবেশনের কারণে এই সরকারের আমলে টিভি চ্যানেল বন্ধ হয়েছে। কারাবন্দি হয়েছে সম্পাদক-পরিচালক।'

ন্যাপ নেতৃদ্বয় আরও বলেন, 'সাংবাদিক সাগর-রুনির নির্মম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনেও চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বর্তমান সরকার। সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ফলে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, এমনকি ভবিষ্যতে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছে দেশবাসী।'

গণমাধ্যম দেশ, জনগণ, রাষ্ট্র ও জনকল্যাণের কথা বলবে উল্লেখ করে নেতৃদ্বয় বলেন, 'মনে রাখতে হবে গণমাধ্যম যদি জনগণের আস্থায় জায়গায় থাকতে না পারে তাহলে সকল ক্ষেত্রেই বিপর্যয় ঘটতে বাধ্য। গণমাধ্যম গণমানুষের জন্য। তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় কিংবা পত্রিকা না পড়ে, টেলিভিশন না দেখে তাহলে মিডিয়ার কিছুইত আর থাকবে না।'

তারা বলেন, 'গণমাধ্যমে যুগোপযোগী এবং মানসম্মত পরিবেশনা না থাকলে গণমাধ্যম দারুণ হুমকির মুখে পড়ে যাবে। সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের সংগঠনগুলো আজ নানান ভাগে বিভক্ত। ফলে উপেক্ষিত হয় সাংবাদিকতা এবং সাংবাদিকদের অধিকার। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশ।'

কেএইচ/জেডএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]