সাংবাদিক অমিত হাবিবের অবস্থা অপরিবর্তিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৮ পিএম, ২৩ জুলাই ২০২২

দৈনিক ‘দেশ রূপান্তর’এর সম্পাদক অমিত হাবিবের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। ২১ জুলাই বিকেলে রাজধানীর পান্থপথের বিআরবি হাসপাতলে ভর্তি করা হয় তাকে। তিনি বর্তমানে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রয়েছেন।

শনিবার (২৩ জুলাই) দেশ রূপান্তরের প্রধান প্রতিবেদক উম্মুল ওয়ারা সুইটি জানান, চিকিৎসাধীন থাকার পর থেকে তার অবস্থার কোনো অবনতি ঘটেনি। আইসিইউর কর্তব্যরত চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, তিনি সাড়া দিচ্ছেন, এটা একটা ইতিবাচক। এই ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে ৭২ থেকে ৯৬ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। প্রথমতো এই সময়টাতে রোগীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকে। এরপর শরীরের অন্য অর্গান মানে কি কি ক্ষতি হয়েছে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা চলে।

তিনি বলেন, আজ আইসিইউ চিকিৎসক ও নিউরো মেডিসিনের চিকিৎসক বলেছেন, অমিত দা গতকাল থেকেই অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলছেন এখন কোনো ড্যামেজ কিংবা শারীরিক কি ত্রুটি হয়েছে সেটি বলা যাবে না। সেজন্য আরও দুই সপ্তাহ সময় প্রয়োজন।

‘অমিত দা’র চিকিৎসার সব দায়ভার রূপায়ন গ্রুপের পক্ষ থেকে দেখা হচ্ছে। আমাদের চেয়ারম্যান স্যার লিয়াকত আলী খান মুকুল নিজেই সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিনি অমিত দার পরিবার ও দেশ রূপান্তরের দায়িত্বশীলদের বলেছেন।

অমিত হাবিব এর আগে দৈনিক কালের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। এর আগে দৈনিক সমকালের প্রধান বার্তা সম্পাদকের পদ ছেড়ে ২০০৯ সালে কালের কণ্ঠে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। পরে ২০১৩ সাল থেকে উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন অমিত হাবিব।

১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে একই সঙ্গে প্রতিবেদক ও সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় সাব-এডিটর পদে যোগ দেন। পরে ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় সিনিয়র সাব-এডিটর হয়ে যোগ দেন। এর পরের বছর একই পদে যোগ দেন দৈনিক ভোরের কাগজে। অল্প দিনের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও পরে বার্তা সম্পাদক হন তিনি।

২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন খ্যাতিমান এই সাংবাদিক। তবে পত্রিকাটি বাজারে আসে ২০০৬ সালে। ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দিয়ে বেইজিংয়ে কর্মরত থাকা অমিত হাবিব দেশীয় সাংবাদিকতার সঙ্গে দূরত্বের কথা বিবেচনায় তা ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন। পরের বছর দৈনিক সমকালে প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি।

এইচএস/এমআরএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।