‘গণমাধ্যমে করা যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান হয় না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫৫ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে যৌন হয়রানির যে অভিযোগ করা হয় এর বেশিরভাগই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সমাধান করা হয় না বলে এক গবেষণায় জানা গেছে। সুইডেনের লিনিয়াস ইউনিভার্সিটির ফোজো মিডিয়া ইনস্টিটিউট ও গুটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম মিডিয়া অ্যান্ড কমিনিউকেশন বিভাগ যৌথভাবে এ গবেষণাটি সম্পন্ন করেছে।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) এক ওয়েবিনারে গণমাধ্যমে জেন্ডার সমতাবিষয়ক এ বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। জেন্ডার সমতার বিষয়টি দেশের জাতীয় নীতিমালা কিংবা গণমাধ্যমের স্বেচ্ছা-নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে সেটা জানতে গবেষণাটি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ, রুয়ান্ডা, সোমালিয়া, সুইডেন ও জিম্বাবুয়েতে এ গবেষণাটি চালানো হয়েছে। জেন্ডার সমতা নিয়ে বৈশ্বিক এ গবেষণায় বাংলাদেশ অংশের দায়িত্বে ছিলেন সাংবাদিক ও গবেষক কুররাতুল আইন তাহমিনা। তিনি বাংলাদেশ অংশের এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

প্রতি দশটি জাতীয় মিডিয়া নীতির মধ্যে পাঁচটিতে লিঙ্গ সমতা সম্পর্কিত বিধানের নমুনা এ গবেষণায় নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর শুধু একটি ছোট অংশে লিঙ্গ সমতা, সমান সুযোগ বা লৈঙ্গিক বৈচিত্র্য নীতি রয়েছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যমে জেন্ডার সমতা হিসেবে মাতৃত্বকালীন ছুটি, নারীদের জন্য আলাদা শৌচাগার, রাত্রিকালীন ডিউটি না দেওয়া ও তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।এছাড়া বাংলাদেশে ২০০৫ সালে ২৬ শতাংশ সংবাদের বিষয়বস্তু হিসেবে শুধু নারীদের উপস্থাপন করা হয়েছে, সেখানে ২০২০ সালে এসে ১৬ শতাংশ সংবাদের বিষয়বস্তু নারী।

আইএইচআর/এমএএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।