ভূমিকম্পের প্রস্তুতি কমাবে ক্ষয়ক্ষতি


প্রকাশিত: ০৯:২৬ এএম, ১৮ জানুয়ারি ২০১৭

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যার কোনো আগাম বার্তা মেলে না। তাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় কোনো বিশেষ প্রস্তুতিও থাকে না। তবে আগাম প্রস্তুতি থাকলে ভূমিকম্পের ক্ষতি কিছুটা কমানো যায়, তারই দিকনির্দেশনা মিললো রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে।

ন্যাশনাল আর্থকোয়েক পাবলিক অ্যায়ারনেস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয় বুধবার দুপুরে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।

সচিব শাহ কামাল বলেন, ভূমিকম্প মোকাবেলার কোনো ক্ষমতা এখনও মানুষের হাতের নাগালের বাইরে। কিন্তু এর ক্ষয়ক্ষতি কমানো মানুষের সাধ্যের মধ্যেই আছে। মানুষ চাইলে ভূমিকম্পের ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে নিজেকে কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পারে।

তিনি বলেন, ভূমিকম্পের কারণে যে পরিমাণ ক্ষতি হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি মানুষের অসাবধানতার কারণে। আমরা মানুষকে সচেতন করে তোলার জন্যই এ প্রকল্প গ্রহণ করেছি। এর মধ্য দিয়ে প্রতিটি মানুষ ভূমিকম্পের সময় কী করণীয় তার সম্মুখ ধারণা লাভ করতে পারবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর পরিচালক রিয়াজ আহমেদ বলেন, মানুষ এখন অনেকটাই সচেতন। এরপরও বসে থাকার সুযোগ নেই। বারবার ভূমিকম্প জানান দিচ্ছে। কখন কী হয় তা বোঝা মুশকিল। বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত পাচ্ছি। সুতরাং এখনই আমাদের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিত সুব্রত সাহা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রকৃতির নিয়মেই হবে। কিন্তু মানুষ হিসেবে সতর্ক থাকার অনেক পন্থা আছে। আমরা সেই পন্থা বাতলে দিতে চাই। মানুষ ভূমিকম্পকে জানুক, প্রস্তুতি নিক এর ক্ষতি মোকাবেলায়।

পরে চট্টগ্রাম থেকে আসা নাটোয়া নাট্যদল ভূমিকম্পের সময় করণীয় তুলে ধরে একটি নাটক উপস্থাপন করে। ক্যাম্পেইনে বিভিন্ন অ্যানিমেশনের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের সচেতনতামূলক বার্তা দেয়া হয়।

এএসএস/এমআরএম/এমএস