থ্রি-পিস আর পাঞ্জাবিতে সেরা ইয়েলো


প্রকাশিত: ০৯:১৩ পিএম, ১৯ জুন ২০১৭
থ্রি-পিস আর পাঞ্জাবিতে সেরা ইয়েলো

রাজধানীতে সোমবার সকাল থেকেই বৃষ্টি। এমন দিনেও ঈদের কেনাকাটা করতে যমুনা ফিউচার পার্কে মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

যমুনা ফিউচার পার্কের তৃতীয় ফ্লোরে ইয়েলোর শো-রুমে ঢুকতেই ভিড়ের রেশটা যেন আরও বেশি চোখে পড়ে। বিরাট শো-রুমে নিজেদের প্রয়োজনীয় পোশাকটি খুঁজে নিতে যেন ব্যস্ত ক্রেতারা।

তবে বিক্রেতারা জানালেন, পাঞ্জাবি আর থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি। চাহিদা রয়েছে শিশুদের পোশাকেরও।

yellow

ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আলতাফ হোসেন নিলয় জাগো নিউজকে বলেন, নানা ধরনের পণ্য থাকলেও ঈদ উপলক্ষে থ্রি-পিস আর পাঞ্জাবির চাহিদা অনেক বেশি। এ ব্রাঞ্চে প্রতিদিন কয়েক হাজার ক্রেতা সমাগম ঘটে।

ক্রেতারা জানালেন, কাপড়ের মান আর ডিজাইনের স্বকীয়তার কারণেই ইয়েলোর পোশাকে আগ্রহ বাড়ছে। গত কয়েক বছর ধরেই গরমের মৌসুমে ঈদ হচ্ছে। আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখেই ইয়েলোর পোশাকে মনোযোগ বেশি।

উত্তরা থেকে আসা সিনথিয়া জামান বলেন, শতভাগ সুতি আর চিকন সুতার কাজ হওয়ায় ইয়েলোর পোশাকগুলো তুলনামূলক আরামদায়ক। এছাড়া এবারের ঈদ গরম আর বৃষ্টির মধ্যে হওয়ায় এ পোশাকগুলোইকেই বেছে নিয়েছি।

একজন নারী বিক্রেতা জানান, সর্বনিম্ন ২৫০০ থেকে ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত থ্রি-পিস রয়েছে এখানে। তবে সর্বোচ্চ ১৯ হাজার টাকার শাড়িও রয়েছে।
ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের বক্তব্যের সত্যতা মিলল জেন্টস কর্ণারে। শার্ট কিংবা পোলো শার্টের চেয়ে পাঞ্জাবির প্রতিই ঝুঁকেছেন ক্রেতারা।

yellow

জানতে চাইলে বিক্রেতা আজাদ বলেন, ইয়েলো পাঞ্জাবিতেই সেরা। এর অন্যতম কারণ ফিটিংস। এমনভাবে তৈরি যাতে কেনার পরে ক্রেতাদের আর নতুন করে ফিটিং করাতে হয় না।

তিনি আরও জানান, পাঞ্জাবিগুলোর মূল্য সাধারণত আড়াই থেকে সাড়ে তিন হাজারের মধ্যেই। তবে সাড়ে তিন হাজার টাকার পাঞ্জাবিগুলো ইতোমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে।

পাশে দাঁড়িয়ে কথাগুলো শুনছিলেন রামপুরা থেকে আসা মুজাহিদুল হাসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ইয়েলোর পাঞ্জাবিতে ডিজাইনের আধিক্য নেই। সাধারণ পাঞ্জাবিগুলোর কাপড়ের মান আর রুচিশীল ডিজাইনই অসাধারণ করে তোলে।

ইয়েলোর অন্যান্য শো-রুমগুলোর তুলনায় যমুনা ফিউচার পার্কের শো-রুমটিতে বেশি আইটেম থাকায় এখানে আসার কারণ বলেও জানান তিনি।

ইয়েলোতে টিন এজারদের জন্যও রয়েছে আকর্ষণীয় পোশাক। প্যান্ট, আর স্টাইলিশ ডিজাইনগুলো নজর কাড়ছে টিন এজারদের। যেগুলোর মূল্য ১২০০ থেকে শুরু করে আড়াই হাজার পর্যন্ত।

yellow

যমুনা ফিউচারপার্কেই ইয়েলো’র রয়েছে শিশুদের জন্য আলাদা জোন। যেখানে দেশি ডিজাইন থেকে থেকে শুরু করে পশ্চিমা ডিজাইনের আধিক্যও চোখে পড়ার মত।

আট বছরের রোদেলা বলছিল, এবার ঈদে তিনটি পোশাক কিনেছি। ঈদের দিন সকালে এবং বিকেলে দুটি পড়বো। আর পরদিন বেড়াতে যাওয়ার সময় আরেকটি পড়বো।

শিশুটির মা জানায়, গরমের কথা মাথায় রেখেই দুই সন্তানের জন্য ইয়েলো থেকেই কাপড় কিনেছেন।

শুধু পোশাকেই নয়, শো-রুমের দৃষ্টিনন্দন সাজানো দিয়েও ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ইয়েলো। শিশুরা তো বটেই বড়দেরও মন ভালো হবে এখানকার নান্দনিকতা দেখে।

এদিকে পোশাকের পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে সিরামিকের বাসনও এনেছে ইয়োলো। ডিনার সেট হিসেবে যেগুলোর মূল্য ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জানালেন বিক্রেতারা। এছাড়াও রয়েছে বিছানার চাদর, পর্দা, বালিশের কাভারসহ ঘরের নানা পণ্য।

জেপি/এএইচ/জেএইচ/জেআইএম