উত্তরায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযানে ২৬ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০২ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
উত্তরায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযানে ২৬ লাখ টাকা জরিমানা

উত্তরার ১৩নং সেক্টরের বিভিন্ন আবাসিক প্লটে অবৈধভাবে বাণিজ্যিক ব্যবহার ও নকশা বহির্ভূত স্থাপনা অপসারণে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। অভিযানে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মোট ২৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

রোববার রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আক্তার ও অথরাইজড অফিসার আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে আবাসিক প্লটে নকশা বহির্ভূতভাবে স্কুল পরিচালনার জন্য উত্তরার গরিবে নেওয়াজ রোডের ১৪নং প্লটের ‘মাস্টার মাইন্ড স্কুল’ কে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে স্কুলটিকে সরে যেতে বলা হয়েছে। ১০নং প্লটের সাত তলা ভবন আবাসিক হিসেবে অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক হিসেবে ব্যবহারের দায়ে ভবন মালিককে ৫ লাখ টাকা ও ২য় ও ৩য় তলায় পরিচালিত ‘ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক’ কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যান্য ফ্লোরের অবৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনা সিলগালা করে দেয় রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মালিক ভবনটিকে অ-আবাসিক হিসেবে রূপান্তর করতে না পারলে ব্যাংককে সরে যেতে বলা হয়েছে।

Rajuk

একইভাবে আবাসিক প্লটে হাসপাতাল পরিচালনার জন্য ৯নং প্লটের ‘লুবানা হাসপাতাল’ কে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ভবনটিকে অ-আবাসিক হিসেবে রূপান্তর করেতে বলা হয়। ৮ নং প্লটের আট তলা ভবন আবাসিক হিসেবে অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক হিসেবে ব্যবহারের দায়ে ভবন মালিককে ৫ লাখ টাকা ও ২য় ও ৩য় তলায় পরিচালিত ‘এবি ব্যাংক’ কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যান্য তলার অবৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনা সিলগাল করে দেয় রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এছাড়া আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মালিক ভবনটিকে অ-আবাসিক হিসেবে রূপান্তর করতে না পারলে ব্যাংককে সরে যেতে বলা হয়েছে। ৭ নং প্লটের সাত তলা ভবন আবাসিক হিসেবে অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক হিসেবে ব্যবহারের দায়ে ভবনের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ভবনের নিচ তলার ও ২য় তলার অবৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনা সিলগালা করা হয়।

উচ্ছেদ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন রাজউক এর, জোন-২ (উত্তরা, টঙ্গী, গাজীপুর) এর পরিচালক আনন্দ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অথরাইজড অফিসার আতাউর রহমান, মো. খায়রুজ্জামান, জান্নতুন নাঈমাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এএস/জেএইচ