তাবলিগ সদস্যদের সরিয়ে দিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪১ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০৬:৫৪ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০১৮

তাবলিগ-জামাতের অনুসারীদের একটি অংশ রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় জড়ো হওয়ার ১৫ মিনিট পর তাদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তারা ট্রাকে করে কাকরাইল মসজিদের দিকে আসতে থাকেন। আর তাবলিগ-জামাতের মুরুব্বি মাওলানা মোহাম্মদ সাদ কান্ধলভী বিরোধী স্লোগান দেন।

এরপর পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে। তাবলিগ-জামাতের অনুসারীরা আসর নামাজের পর কাকরাইল মসজিদের সামনে জড়ো হবেন এ ঘোষণার পর থেকেই মসজিদটির চারদিক ঘিরে রেখেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে।

সরেজমিনে কাকরাইল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তাবলিগ-জামাতের অনেক অনুসারী কাকরাইল মসজিদ এলাকার চারপাশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যারিকেডের বাইরে অবস্থান করছেন।

এর আগে বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়ক ছেড়ে তাবলিগ-জামাতের অনুসারীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দুই দিকে চলে যান। বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটের দিকে তাদের একটি দল রাজধানীর কাকরাইল অভিমুখে যাত্রা করেন। অপর দলটি টঙ্গীর উদ্দেশে রওয়ানা দেন। বিকেল ৪টার দিকে তারা সড়কে বসে পড়েছিলেন। এর ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম দুর্ভোগে পড়ে হাজার হাজার যাত্রী।

jagonews24

তাবলিগ জামাতের একাংশের নেতা দাবি করে একজন বলেছেন, আসরের নামাজের পরে এখান থেকে পাঁচ হাজার জন টঙ্গী ইজতেমা মাঠে চলে যাবে। সাদ যেন ঢুকতে না পারেন, সেজন্য মহাখালী থেকে ঢাকা দক্ষিণের দিকে যত মাদরাসা আছে সেখানকার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা কাকরাইল অভিমুখে রওয়ানা হয়েছেন।

মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে ঠেকাতে সকাল থেকেই বিমানবন্দর একালায় বিক্ষোভ শুরু করেন হাজার হাজার আলেম ওলামা।

দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের জিম্মাদার মাওলানা মোহাম্মদ সাদ কান্ধলভি বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ব্যাংকক থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর বিকেলে তাকে কাকরাইল মসজিদের তাবলিগ জামাতের মারকাজে (অফিস) নেয়া হয়।

পুলিশের রমনা জোনের ডিসি মারুফ হোসেন সরদার জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এআর/জেডএ/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :