ডিএনসিসির ভোট : ৩০ জানুয়ারির আগে প্রচারণা চালালে ব্যবস্থা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০৪ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০১৮

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের অর্থাৎ ৩০ জানুয়ারির আগে আগাম প্রচারণা চালালে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম-সচিব ও এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ভবনে নিজ কার্যালয়ে বুধবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত ডিএনসিসির মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং দুই সিটির সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতে ২৬ ফেব্রয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা উত্তর সিটির নির্বাচন প্রসঙ্গে মো. আবুল কাশেম আরও বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে শেষ করতে আইন ও বিধি অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে। দু-একদিনের মধ্যে মেজিস্ট্রেটরা মাঠে নামবেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনুরোধ করব, নিজ খরচে নিজ উদ্যোগে নির্বাচন প্রচার সামগ্রী অপসারণ করবেন। কোথাও আগাম প্রচারসামগ্রী থাকলে এবং তা আমাদের নজরে আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা যায়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির আচরণবিধি প্রতিপালন মনিটরিংয়ে ১৮জন মেজিস্ট্রেট নিয়োগ অনুমোদন করেছে কমিশন। দু-একদিনের মধ্যে মেজিস্ট্রেটদের মাঠে নামার কথা রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণে সম্প্রসারিত ১৮ ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচনে প্রতি তিন ওয়ার্ডের জন্য একজন করে ছয়জন, ঢাকা উত্তরের পুরোনো ৩৬ ওয়ার্ডে প্রতি ৬ ওয়ার্ডের জন্য একজন এবং সম্প্রসারিত ১৮ ওয়ার্ডের প্রতি তিন ওয়ার্ডের জন্য একজন করে মোট ১৮জন মেজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর ধারা ৫-এ বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন না।
তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ১৮ জানুয়ারি, যাছাই-বাছাই ২১ ও ২২ জানুয়ারি, প্রত্যাহার ২৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ জানুয়ারি এবং ভোটগ্রহণ হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি।

এইচএস/জেডএ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :