ঘন কুয়াশায় ভেঙে পড়েছে সিডিউল, দুই শতাধিক ফ্লাইট বিলম্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩২ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০৮:৩৫ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০১৮
ঘন কুয়াশায় ভেঙে পড়েছে সিডিউল, দুই শতাধিক ফ্লাইট বিলম্ব
ফাইল ছবি

ঘন কুয়াশার কারণে গত ২০ দিন ধরে শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে প্রতিদিন ৮-৯ ঘণ্টা বিমানচলাচল বন্ধ থাকছে। ডানা মেলতে পারছে না অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের কোনো উড়োজাহাজ। ভেঙে পড়েছে সব বিমানের ফ্লাইট সিডিউল।

দেশের বিমানবন্ধরগুলোর ফ্লাইট অপারেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত সাত দিনে তিন বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে প্রায় দুই শতাধিক ফ্লাইট বিলম্বে ছেড়েছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার শুধুমাত্র শাহজালালেই ৪৬টি ফ্লাইট বিলম্বে ছেড়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে এদিন ভোর ৪টা থেকে সকাল ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত কোনো উড়োজাহাজ চলাচল করেনি। ফলে এর প্রভাব বাকি ফ্লাইটগুলোর ওপরে পড়েছে।

শনিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের নির্ধারিত ঢাকা-লন্ডনগামী বিমানের ফ্লাইটটি দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে গেছে। এছাড়াও প্রতিদিন সকালের দিকের সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, কাঠমান্ডুগামীসহ বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বিলম্বে ছেড়ে যাচ্ছে।

সিভিল এভিয়েশনের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা একেএম রেজাউল করিম বলেন, ঘন কুয়াশায় প্রতিদিন প্রায় ১৫টির মতো ফ্লাইট বিলম্বে উড়ছে। নতুন করে এগুলোকে স্লট দেয়ার কারণে পরবর্তী ফ্লাইটগুলোর ওপর প্রভাব পড়ছে।

বিমানবন্দরের ফ্লাইট অপারেশন শাখার কর্মকর্তা জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, কুয়াশার কারণে গত কয়েকদিন ধরে নিয়মিত ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত সময়ের জন্য ফ্লাইট প্রতি বাড়তি ল্যান্ডিং এবং এরোনোটিকাল চার্জ গুণতে হয়।

এদিকে ফ্লাইট বিলম্বের কারণে বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন যাত্রীরা।

শনিবার যাত্রীদের সুবিধার্থে এক ফেসবুক পোস্টে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) জানিয়েছে, বর্তমানে কুয়াশার কারণে ফ্লাইট ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকছে। ফলে বাকি ১৫ ঘণ্টায় সব ফ্লাইট চলাচল করছে। এ কারণে এয়ারপোর্টের বিভিন্ন জায়গায় (এন্ট্রি স্ক্যানিং, বোর্ডিং লাইন, ইমিগ্রেশন, ফাইনাল চেকিং) যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই সব বিদেশগামী যাত্রীদের উপরোক্ত কারণে যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে আসার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

এআর/আরএম/এএইচ/জেআইএম