দুদক কার্যালয় সম্পূর্ণভাবে তদবিরবাজমুক্ত

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:২১ পিএম, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

 

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনজীবীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আইনজীবীরা নাগরিকের জীবন, সম্পদ এবং অধিকার সংরক্ষণে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। দুদকের আইনজীবীরা কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

প্রতিষ্ঠান হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনেক সমালোচনা রয়েছে স্বীকার করে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি অনেক ভালো কাজও করছে। আর যাই হোক কমিশনের প্রধান কার্যালয়টি এখন সম্পূর্ণভাবে তদবিরবাজমুক্ত।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে কমিশনের ময়মনসিংহ, ঢাকা-২, টাঙ্গাইল ও ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের অধীন পাবলিক প্রসিকিউটর এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে কমিশনের দায়েরকৃত মামলার সফল নিষ্পত্তির লক্ষ্যে করণীয় শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখন আর ফ্লোরে-ফ্লোরে তদবিরবাজদের দেখা যায় না। এমনকি অন্যভাবেও কেউ দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার অনৈতিক তদবির করতে আসেন না। কারণ ইতোমধেই তারা জেনে গেছেন এখানে তদবির করে কোনো লাভ হবে না। ভুয়া নোটিশ পাঠিয়ে কিংবা মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানির অভিযোগও এখন আর শোনা যায় না। এটা আমাদের অর্জন, এই অবস্থা ধরে রাখতে হবে।

আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা পেশাগত পবিত্রতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে নির্মোহভাবে কমিশনের মামলা পরিচালনা করবেন।

প্রসিকিউটর হিসেবে বিজ্ঞ আদালতে স্বাক্ষ্য-প্রমাণাদির অংশ হিসেবে আলামত, সাক্ষী উপস্থাপনসহ যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠভাবে মামলার দালিলিক নির্যাস উপস্থাপন করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সমন্বিত চেষ্টার ফলেই কমিশনের মামলায় সাজার হার ৩৭ শতাংশ থেকে এবছর প্রায় ৭০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

তিনি বলেন, যদি কমিশনের মামলায় আইনজীবীদের ঐকান্তিক চেষ্টায় প্রকৃত দুর্নীতিপরায়ন ব্যক্তিবর্গকে শাস্তির মুখোমুখি করা যেতে পরে , তবেই দুর্নীতি প্রতিরোধে কমিশন সফল হবে। এই কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক (আইন) মো. মঈদুল ইসলাম। কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন পরিচালক (প্রসিকিউশন) শেখ ফারুক হোসেন, উপপরিচালক (প্রসিকিউশন) মো. মনিরুজ্জামান খান প্রমুখ।

এমইউ/জেএইচ/আরআইপি