বাংলাদেশ প্রাক্তন সৈনিক কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:০৬ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০৬:১৫ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

বাংলাদেশ প্রাক্তন সৈনিক কল্যাণ সংস্থার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গত ২৭ জানুয়ারি ২নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টার পল্লীতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ওই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত লেখক, গবেষক, ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আবীর আহাদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সদস্য সচিব ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক আবুল বাশার। বাংলাদেশ প্রাক্তন সৈনিক কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অনারারী ক্যাপ্টেন (অব.) মোহাম্মদ আলী নোয়াব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) মতিউর রহমান।

দেশের ৪১টি জেলা হতে আগত প্রায় ২৫০ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ওই আলোচনা সভায় যোগদান করেন। সভায় সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী ও বিজিবি’র প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।

ওই সভায় নিম্নবর্ণিত বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানানো হয়-

ক. সশস্ত্র বাহিনী থেকে যারা বর্তমান বেতন স্কেল প্রবর্তনের পূর্বে আবসর গ্রহণ করেছেন তাদের পেনশনের টাকা বর্তমান দ্রব্য মূল্যের বাজারে কোনো অবস্থাতেই জীবন-যাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। সব পেনশনারকে পদবী অনুযায়ী সর্বশেষ প্রাপ্ত পেনশন - এক পদবী এক পেনশন (One rank one Pension-OROP) প্রদানের জন্য আবেদন জানান। উল্লেখ্য যে, ভারত সরকার ইতোমধ্যে OROP পদ্ধতিতে পেনশন প্রদান করছেন।
খ. অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের জন প্রতি ৪১৮.০০ টাকা রেশন ভাতা প্রদান করা হয়। এ ভাতা দ্বারা একজনের রেশন ক্রয় করা যায় না। ওই রেশন ভাতা ১০০০.০০ টাকায় উন্নীত করার জন্য আবেদন জানানো হয়।
গ. সাভারের শেনওয়ালিয়া মৌজা, কুমিল্লা ইপিজেড, বরিশালের লেবুখালী, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট এলাকাসহ অন্যান্য জায়গায় সরকারি খাস জমিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পদক্ষেপের আহ্বান।
ঘ. মৃত সেনাসদস্যদের সৎকারের জন্য ২০,০০০.০০ (বিশ হাজার) টাকা আনুতোষিক প্রদান।
ঙ. সেনা কল্যাণ সংস্থা কর্তৃক ঢাকা সেনানিবাস সংলগ্ন ভাষাণটেক যে বিশ্রামাগার আছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ওই বিশ্রামাগারের কলেবর বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

এইচআর/পিআর