সেই একই পাঁয়তারা অটোরিকশা মালিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৩৩ পিএম, ১৫ মার্চ ২০১৮

২০০২ সালে নিবন্ধন পাওয়া যেসব সিএনজিচালিত অটোরিকশার অর্থনৈতিক জীবন বা বয়সসীমা (ইকোনমিক লাইফ) ২০১১ সালে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে সেগুলো এখনও ভাড়া মারছে ঢাকার রাস্তায়।

নানা অজুহাত দেখিয়ে বারবারই এসব অটোরিকশার বয়সসীমা বাড়িয়েছে মালিক সমিতি।

সর্বশেষ যে বয়সসীমা বাড়ানো হয়েছিল সে হিসেবেও ৩১ মার্চ ২০০২ মডেলের সিএনজি অটোরিকশাগুলোর বয়সসীমা শেষ হয়ে যাচ্ছে।

সিএনজি অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিকরা এখন বলছেন, এসব অটোরিকশার প্রতিস্থাপন না করলে একদিকে যাত্রীদের কষ্ট হবে, অন্যদিকে বেকায়দায় পড়বে অটোরিকশা শ্রমিকরা। এ অবস্থায় মেয়াদোত্তীর্ণ অটোরিকশা প্রতিস্থাপনে এক বছর সময় চেয়েছেন মালিক ও শ্রমিকরা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে এ দাবি জানানো হয়। ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রায় এক বছর আগে ইঞ্জিন প্রতিস্থাপন ও গ্যাস সিলিন্ডার পরিবর্তনের মাধ্যমে বুয়েট, চুয়েট ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) মতামত সাপেক্ষে সিএনজি অটোরিকশার ইকোনোমিক লাইফ না বাড়ানোর মতামত দেয়া হয়েছ। এখন এসব অটোরিকশা রাস্তায় আর চলচলের সুযোগ নেই। এ অবস্থায় অটোরিকশাগুলোকে বন্ধ রেখে প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু রাতারাতি এসব সিএনজির প্রতিস্থাপন সম্ভব নয়। কমপক্ষে ১ বছর সময় প্রয়োজন।

মানববন্ধন থেকে আরো বলা হয়, এ খাতে প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক রয়েছেন। এসব অটোরিকশা বন্ধ হয়ে গেলে তারা মানবেতর জীবনে পড়বে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পরিষদের নেতা ফরিদুর ইসলাম খসরু, আলী মিয়া, হানিফ খোকন প্রমুখ।

এমএ/এনএফ/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :