নিরাপদ বিমান ভ্রমণে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে

রফিক মজুমদার
রফিক মজুমদার , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২৩ এএম, ২৯ মার্চ ২০১৮

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সাম্প্রতিক বিধ্বস্তের ঘটনায় দেশের এভিয়েশন খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। আর এমন সময়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) শোনাচ্ছে আশার কথা।

বেবিচক জানায়, ২০১৭ সালে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন বা আইকাও পরিচালিত অডিট কার্যক্রমে সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে ৭৭.৪৬ শতাংশ ইআই (ইফেক্টিভ ইমপ্লিমেন্টেশন) অর্জন করেছে, যা দেশের বিমান শিল্পে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এতে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্মকাণ্ডের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

এভিয়েশনে বাংলাদেশের এই অর্জনের বিষটি সামনে রেখে দেশের মিডিয়াগুলোকে ইতিবাচক খবর প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে বেবিচক কর্মকর্তারা। এতে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্মকাণ্ডের গ্রহণযোগ্যতা আরও বড়িবে বলে মনে করছেন তারা।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল নাঈম হাসান জানান, আইকাও পরিচালিত অডিট কার্যক্রমে সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে ৭৭.৪৬ শতাংশ ইআই অর্জন করা খুব সহজ কাজ নয়। সুষ্ঠু রেগুলেটরি বোর্ড থাকায় আমরা সফল হয়েছি।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনা কারো কাম্য নয়, যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। দুর্ঘটনা পরবর্তী সতর্কতা আরও দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। তাই আমরা সতর্ক।

নাঈম হাসান বলেন, আর পত্র-পত্রিকায় নিউজ করতে হবে দুর্ঘটনা কমানোর জন্য, কাউকে ফাঁসানো কিংবা বাঁচানোর জন্যে নয়।

বেবিচক ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের পরিচালক উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবীর জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এক লাখ ফ্লাইট বিমানবন্দরগুলোতে ল্যান্ড করে। ২০১৭ সালে ৩৪.৪ মিলিয়ন ফ্লাইট আকাশে উড্ডয়ন করেছে। সবচে বড় বিষয় বিগত ৩৪ বছরে বাংলাদেশে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে মাত্র একটি।

আরএম/এবিআর/আরআইপি