বেশি আয়ের আশায় প্রবাসী থেকে ‘ইয়াবা পাচারকারী’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৪:১৬ পিএম, ০২ এপ্রিল ২০১৮ | আপডেট: ০৪:২৬ পিএম, ০২ এপ্রিল ২০১৮

একসময় মালয়শিয়ায় থাকলেও আরও বেশি আয়ের আশায় দেশে ফেরত আসেন টেকনাফের জাফর আলম (৩১)। যুক্ত হন ইয়াবা পাচারকারী চক্রের সঙ্গে। অল্প সময়ে বেশ কামিয়েও নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তার। ধরা পরেছেন পুলিশের হাতে।

কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জারটেক এলাকা থেকে ৭৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার জাফর আলম সম্পর্কে এভাবেই জানাচ্ছিলেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (গোযেন্দা-বন্দর) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

রোববার দিবাগত রাত পৌনে ১১টার দিকে কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জারটেক এলাকায় লেগুনা গাড়ি তল্লাশি করে ৭৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মহানগর গোয়েন্দ‍া পুলিশ। গাড়ির সিটের উপরের অংশে বিশেষ কৌশলে লুকানো ছিল ইয়াবাগুলো।

মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘গ্রেফতার হওয়া জাফর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তিনি একসময় মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। এবার দেশে ফেরার পর বেশি আয়ের আশায় ইয়াবা পাচারকারী চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।’

‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে মইজ্জারটেক এলাকার ক্যাফে আল মক্কার সামনের সড়কে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় একটি লেগুনা গাড়ির বসার সিটের উপরের অংশ; যেখানে মাথা রাখা হয় তার ফোমের ভেতর বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। টেকনাফের হ্নীলা থেকে ইয়াবাগুলো পাচার করা হচ্ছিল।’

হাসপাতালে ইয়াবা বিক্রি করে ধরা রেল কর্মচারী
এদিকে নগরীর সিআরবি রেলওয়ে হাসপাতালে ইয়াবা বিক্রির দায়ে বখতিয়ার নামে রেলের এক কর্মচারীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। তার কাছ থেকে প্রায় ১ হাজার ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

রোববার রাত সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের ৬ নম্বর কেবিন থেকে মো. বখতিয়ারকে আটক করা হয়।

রেলওয়ে হাসপাতাল সূত্র জানায়, আটক বখতিয়ার পরিবহন বিভাগে কাজ করেন। দু’দিন আগে রেলওয়ে হাসপাতালে আসেন তিনি। রোববার রাতে তাকে ইয়াবার ৫টি প্যাকেটসহ আটক করে নিয়ে গেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

এনএফ/আরআইপি