১২ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, ফিরে পেতে লাগবে ‘প্রমাণ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১১ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০১৮ | আপডেট: ০৪:১৫ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০১৮
১২ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, ফিরে পেতে লাগবে ‘প্রমাণ’

ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা দল (ডিবি, পশ্চিম বিভাগ)।

তাদের কাছ থেকে ১২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো হলো- ঢাকা মেট্রো-ল-১৫-৪৪০৫ (এফজেড), ঢাকা মেট্রো-ল-১৯-৭৮৬৯ এফজেড (ফেজার), ঢাকা মেট্রো-ল-১৩-৯৪২৭ (পালসার), অনটেস্ট (পালসার), ঢাকা মেট্রো-হ-৩৯-১৯৬৬ (জায়লিং), ঢাকা মেট্রো-ল-২১-৮৪৫১ (অ্যাপাচিআরটিআর), ঢাকা মেট্রো-ল-১৫-১৯১৩ (এফজেডএস), ঢাকা মেট্রো-ল-১৭-৬৩৯৯ (অ্যাপাচিআরটিআর), ঢাকা মেট্রো-ল-৩৩-৫১৯৮ (অ্যাপাচিআরটিআর), ঢাকা মেট্রো-ল-২১-৯০১০ (অ্যাপাচিআরটিআর), নারায়ণগঞ্জ-ল-১১-০০৫৫ (সিবিজেড) ও ঢাকা মেট্রো-ল-১৫-০৮১৯ (পালসার)।

বুধবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. আবদুল বাতেন বলেন, ‘উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলের মধ্যে কারও মোটরসাইকেল থেকে থাকলে উপযুক্ত কাগজ ও প্রমাণাদি নিয়ে যোগাযোগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

গ্রেফতার চোর দলের সদস্যরা হলেন- মো. রাজিব মুন্সি, মো. আব্দুর রহিম, মো. জাকির হোসেন ও মো. মোক্তার হোসেন। তাদের সম্পর্কে আব্দুল বাতেন বলেন, ‘গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য। তারা বিভিন্ন শপিং মল, দোকান, খোলা জায়গায় পার্কিং করা, মেডিকেল হাসপাতালের সামনে অরক্ষিতভাবে রাখা মোটরসাইকেলগুলো টার্গেট করে চুরি করে।’

motor-02

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকা হতে মোটরসাইকেল চুরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। তারা চুরি করার পর বিশেষ করে মাদারীপুর, নরসিংদী, শরীয়তপুরসহ ঢাকার পাশের জেলাগুলোতে মোটরসাইকেলগুলো একত্রিত করে। পরবর্তী সময়ে বিক্রির জন্য অন্য সিন্ডিকেট মোটরসাইকেলগুলো বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। গ্রেফতারকৃদের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

‘গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার করতে আমরা চেষ্টা করব’ বলে জানান ডিবি’র জয়েন্ট পুলিশ কমিশনার।

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আবদুল বাতেন বলেন, ‘শপিং মলসহ যেসব জায়গায় পার্কিংয়ের ব্যবস্থা আছে সেখানে টোকেন দিয়ে গাড়ি রাখার ব্যবস্থা করলে চুরি অনেকাংশে কমে যাবে। এছাড়া নির্ধারিত পার্কিং ব্যতীত মোটরসাইকেল বা গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করলে চুরি হওয়ার সম্ভাবনা কমবে।’

এআর/এমএআর/জেআইএম