পা হারানো আতিকুনকে রাখা হয়েছে আইসিইউতে

ঢামেক প্রতিবেদক
ঢামেক প্রতিবেদক ঢামেক প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫৭ পিএম, ২৫ মে ২০১৮
ফাইল ছবি

রাজধানী আব্দুল্লাহপুরে বিআরটিসি বাসের চাপায় বাম পা হারানো আতিকুন নেছা স্বস্তিকে (৫০) রাখা হয়েছে শ্যামলীর ট্রমা হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ)।

গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবদুল্লাহপুর মোড়ে বিআরটিসির একটি বাস থেকে নামার সময় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উত্তরা আধুনিক হাসপাতাল এবং পরে পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখান থেকে রাত ১০টার দিকে শ্যামলীর ট্রমা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় তাকে।

আহত আতিকুন ময়মনসিংহে স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে কাজ করেন। তিনি উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের ৩৩ নম্বর সড়কের ২০ নম্বর বাসায় থাকেন। স্বামীর নাম রফিকুল ইসলাম। তিন মেয়ে ও এক ছেলের জনক তিনি।

আহতের মেয়ে জামাই তারেক হোসেন প্লাবন জাগো নিউজকে বলেন, তার শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি দুইজন একসঙ্গে টঙ্গী থেকে উত্তরার বাসায় বিআরটিসির বাসে করে ফিরছিলেন। আব্দুল্লাহপুর মোড়ে নামার সময় এক পা ফেলার পর অন্য পা ফেলার আগেই বাস টান দেয়। ফলে তিনি বাস থেকে রাস্তায় পড়ে যান। এ সময় বাসটি তার বাম পায়ের ওপর দিয়ে চলে যায় এবং বাম পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত থেঁতলে যায়।

তিনি বলেন, পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আধুনিক হাসপাতাল এবং পরে পঙ্গু হাসপাতাল নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শ্যামলীর ট্রমা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এখানে রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অস্ত্রপচার করে তার পা কেটে ফেলেন চিকিৎসকরা। এরপর তাকে আইসিইউতে রাখা হয়।

প্লাবন বলেন, এ ঘটনায় এখনও মামলা দায়ের করার সময় পায়নি। তবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। ঘটনার সময় চালক ও হেলপারকে সাধারণ জনগণ গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বলে জানান তিনি।

উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জাগো নিউজকে বলেন, এ ঘটনায় ঢাকা মেট্রো ব ১৪-৪৬৪৩ নাম্বার বাসটি থানায় আটক আছে। এখনও কোনো মামলা হয়নি। সম্ভবত তারা রোগী নিয়ে ব্যস্ত। মামলা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এ ঘটনায় চালক এবং হেলপার কাউকে আটক করা যায়নি বলে জানান তিনি।

এসএইচ/এমআরএম/পিআর