বিকেলের মহাভিড়ের অপেক্ষায় সদরঘাট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৪৭ পিএম, ১৪ জুন ২০১৮

প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে ঘরমুখো মানুষের চাপ এখন সদরঘাটে। তাই মানুষের বাড়তি চাপে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা না করেই পর্যাপ্ত যাত্রী পেলে আগেই ছেড়ে যাচ্ছে অনেক লঞ্চ। সারাবছর এমন অবস্থা না থাকলেও বছরে দুই ঈদে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামাল দিতে এভাবে নির্দিষ্ট সময়ের আগে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার চল রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাত্রীরা যেতে থাকেন সদরঘাটে। লঞ্চ ভরলেই ঘাট ছেড়ে চলে যাচ্ছে গন্তব্যে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভিড় চরম আকার ধারণ করবে বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে। বেশির ভাগ মানুষই অফিস করে বিকেলে ছুটবেন সদরঘাটের দিকে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভোলা, পটুয়াখালী, বেতুয়া, ঘোষেরহাট, লালমোহনসহ বিভিন্ন রুটের প্রায় ত্রিশটার মতো লঞ্চ ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সদরঘাটে দায়িত্ব পালনকারী বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তারা। এই লঞ্চগুলোর বেশির ভাগ বিকেলে ছেড়ে যাওয়ার সিডিউল ছিল।

বিআইডব্লিউটিএ-এর সদরঘাট বন্দরের উপ-পরিচালক (পোর্ট অ্যান্ড ট্রাফিক) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালবেলা যাত্রীদের বেশ চাপ ছিল। এজন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক জাহাজও ছিল। সেজন্য পরিস্থিতি সমাল দেয়া সম্ভব হয়েছে। সকাল থেকে কাজল-৭, পূবালী-৪, ফারহান-৫, এ আর খান, তাসরিফ-৪ সহ প্রায় ত্রিশটির মতো লঞ্চ সদরঘাট ছেড়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা, টার্মিনালের সার্বিক পরিবেশ যাত্রীবান্ধব আছে।’

বৃহস্পতিবার সব মিলিয়ে ১২০-১২৫টির মতো লঞ্চ সদরঘাট থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাবে বলেও জানান মিজানুর রহমান।

ঢাকা থেকে ভোলার চরফ্যাশনে চলাচলকারী ফারহান-৫ লঞ্চে দায়িত্ব পালনকারী কর্মী মোবারক ফোনে বলেন, ‘আজকে যাত্রীর খুব চাপ, আমরা সকাল ৬টার দিকে সদরঘাট থেকে ছেড়ে এসেছি। যাত্রী নামিয়ে আবার ফিরে আসব সদরঘাট।’

শুক্রবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে শনিবার মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এক্ষেত্রে রোববার পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকবে। তবে রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদ হবে রোববার। সেক্ষেত্রে একদিন বেড়ে সোমবারও সরকারি ছুটি থাকবে।

আরএমএম/এনএফ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :