তরুণ ভোটারদের বাজেটে সম্পৃক্তের সুযোগ চান বিপু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৫ পিএম, ১৮ জুন ২০১৮

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, বাজেটে তরুণদের সম্পৃক্ত করার সুযোগ রাখতে হবে। কেননা বিশাল সংখ্যক তরুণরাই এখন ভোটার।

সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

বিপু বলেন, আগামী ২০ বছরের মধ্যে সারা বিশ্বের গাড়িগুলো ইলেকট্রিকে পরিণত হবে। তাই আমাদেরও সেই বিশ্বের যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আর গ্যাস স্বল্পতার কারণে বিদেশ থেকে এলএমজি গ্যাস আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। এই গ্যাস নিরবচ্ছিন্নভাবে দিতে পারলে প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে অভাবনীয় প্রভাব পড়বে।

তিনি আরও বলেন, আবাসিক ক্ষেত্রে রান্নার কাজে গ্যাস ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। দেশের ৮০ ভাগ জায়গায় এলপিজি গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পাইপ লাইনের মাধ্যমে তেল সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে হলে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো সমস্যা না থাকলেও সঞ্চালন লাইনে কিছুটা সমস্যা রয়েছে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে হুইপ শহিদুজ্জামান সরকার বলেন, বিএনপি বাজেট নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশের নামে জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। তারা আমাদের অর্জনগুলো নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করছে। এই বিএনপি দেশকে কি দিয়েছে? সাধারণ মানুষ মনে করে বিএনপির কোনো অর্জন ছিল না। বরং বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে আমাদের কপালে কলঙ্কের দাগ লেপে দিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে গ্রেনেড মেরে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা গ্রেনেড মারব না, আমাদের গ্রেনেড হবে সাধারণ মানুষ, সাধারণ ভোটার। ভোটের মাধ্যমে বাঙালি জাতি তাদের অস্তিত্ব বিলীন করে দেবে।

চলমান মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য টিপু মুনশি বলেন, দেশে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামা ছাড়া উপায় ছিল না। কিন্তু যে মাদকটা সব চাইতে ভয়ঙ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেটা হচ্ছে ইয়াবা। এটা ঢোকার পথ হচ্ছে কক্সবাজারের দুটি উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়া দিয়ে। যদি দেশে ঢোকার আগে কক্সবাজারের ওই দুটি উপজেলার সমস্ত পথ বন্ধ করে দেয়া যায় তাহলে মাদকের ভয়াবহতা কমে আসবে। মাদকবিরোধী অভিযান অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে, তা না হলে আমাদের প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে।

সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস বলেন, বার বার প্রাণনাশের চেষ্টা ও শত ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে সফল ও সার্থক নেতৃত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ দেশকে সমৃদ্ধির মহাসড়কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলেই উন্নয়নের আলোকবর্তীকা আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণ করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ যখন সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে তখন জাতিদ্রোহী, দেশবিরোধী অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত নানা ষড়যন্ত্র করছে।

আলোচনায় আরও অংশ নেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সংসদ সদস্য উম্মে রাজিয়া কাজল, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, হোসনে আরা বেগম প্রমুখ।

এইউএ/জেএইচ/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :