জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি বিল উত্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:০১ পিএম, ২০ জুন ২০১৮
ছবি-ফাইল

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমিকে আইনি ভিত্তি দিতে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন করা হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ‘জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি বিল-২০১৮’ নামের এ বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২০ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইমাম। তবে তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৮০ সালের নভেম্বরে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির যাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৪ সালে এ একাডেমি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়।

বর্তমানে ১৯৭৯ সালের অধ্যাদেশে একাডেমি পরিচালিত হয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে সংসদে বিলটি আনা হয়েছে। বিলে ওই একাডেমি পরিচালনা ও প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের জন্য একটি পরিচালনা বোর্ড গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৫ সদস্যের এ বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকবেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী। তবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উভয়ে থাকলে একজন চেয়ারম্যান ও অপরজন ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। আর সেটা না হলে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান হবেন। একাডেমির মহাপরিচালক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ একাডেমির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঢাকার বাইরে শাখা থাকতে পারবে। একাডেমি পচিালনার জন্য বিলেএকাধিক কমিটি গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এইউএ/এএইচ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :