আহ্ছানউল্লা স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৫৫ পিএম, ২২ জুলাই ২০১৮

শের বিভিন্ন আইন প্রণয়নে সম্পৃক্ততাসহ আইন পেশায় নিজেকে নিয়োজিত এবং সেবামূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখার জন্য ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে ২০১৭ সালের খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা স্বর্ণপদক প্রদানের জন্য নির্বাচিত করেছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেতে কর্মরত জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত ১১ সদস্যের একটি জুরি বোর্ড সর্বসম্মতিক্রমে ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে এই পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। শিগগিরই এই পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে তুলে দেয়া হবে।

এই পদকের মূল্যমান দুই ভরি পরিমাণ একটি স্বর্ণপদক, নগদ দুই লাখ টাকা, মনোগ্রাম সম্বলিত একটি ক্রেস্ট ও একটি সনদপত্র।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক দেশের আইন পেশায় স্বীকৃত অবদানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্বিটেশন কোর্টের (প্যারিস) একজন সম্মানিত সদস্য। তিনি দেশের আইন সংস্কার কাজে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছেন। ছিলেন বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। এ ছাড়া কোম্পানি আইন সংস্কার, ব্যাংকিং আইন সংস্কার কমিশন ও ব্যাংকিং আইন প্রণয়নে কাজ করেছেন।

রফিক-উল হক আদদ্বীন হসপিটালের চেয়ারম্যান এবং ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি অন্ধ কল্যাণ সমিতির আজীবন সদস্য ও শিশু হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ছিলেন।

প্রবীণ এই আইনজীবী হাসপাতাল, মসজিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি যুক্ত আছেন। ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে কর্মরত আছেন। বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বও পালন করেছেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন উপমহাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক, সুফী সাধক, তৎকালীন জনশিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা হযরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লার নামে ১৯৮৬ সাল থেকে পুরস্কার দিয়ে আসছে।

জাতীয় পর্যায়ে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পর্যন্ত ২৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এই স্বর্ণপদক দেয়া হয়েছে।

এফএইচএস/জেএইচ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :