রেলের খালি জায়গায় জয়েন্ট ভেঞ্চারে অবকাঠামো নির্মাণের সুপারিশ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০০ পিএম, ২২ জুলাই ২০১৮ | আপডেট: ১০:০৩ পিএম, ২২ জুলাই ২০১৮

রেলের অব্যবহৃত খালি জমিতে পিপিপি/শেয়ারিং/জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণ করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। পাশাপাশি অবৈধ দখলদার থেকে রেলওয়ের জমি দ্রুত পুনরুদ্ধার সুপারিশ করে কমিটি।

এছাড়া রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যেসব প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে, কোনো নীতিমালার আলোকে এসব ব্যয় বৃদ্ধি অনুমোদন করা হয়েছে, তা জানতে চেয়েছে কমিটি।

রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৪৬তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটি সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এবং ইয়াসিন আলী বৈঠকে অংশ নেন।

কমিটি সূত্র জানায়, রাজধানীর বঙ্গবাজারের কাছে ফুলবাড়িয়ায় রেলের আইকন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।  বৈঠকে ঢাকার বঙ্গবাজারে রেলওয়ের জায়গায় প্রস্তাবিত আইকন ভবন নির্মাণের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঢাকার বঙ্গবাজারের নিকটস্থ ফুলবাড়িয়া আনন্দবাজার এলাকায় ২.৮৭ একর রেলভূমি হতে ‘আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন প্রকল্প এবং বিদ্যমান রেল লাইনকে ডুয়েল গেজে রুপান্তর’ শীর্ষক প্রকল্পের ‘মেইন ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস/ আইকন ভবন’ নিমার্ণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

এ সময় দশম জাতীয় সংসদকালীন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যেসব প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে, তার পরিসংখ্যান, ব্যয় বৃদ্ধির কারণ, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম ও ব্যয় বৃদ্ধি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চায় কমিটি।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বাংলাদেশে রেলওয়ে প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর লক্ষ্যে কমিটির সদস্যরা বিশ্বের যে দেশে রেলওয়ে কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় আছে, সেখানে সংসদীয় কমিটির পরিদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনালের সঙ্গে রেলওয়ের সংযোগ স্থাপনের কার্যক্রম, চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় পিপিপি/যৌথ মালিকানায় কন্টেইনার ইয়ার্ড নির্মাণ, ফয়’স লেকের রেলওয়ের জমি রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে বিস্তারিত আলাচনা হয়।

বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এইচএস/এমআরএম/আরআইপি

 

আপনার মতামত লিখুন :