‘বঙ্গবন্ধুর নেয়া কৃষি উদ্যোগের ফল আজ ভোগ করছি’

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৫৫ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৮
ছবি-ফাইল

কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার পর পরই দেশের কৃষির ফলন বৃদ্ধি করতে বঙ্গবন্ধু কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রকমের গবেষণা প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেন। তার নেয়া উদ্যোগের ফল আমরা আজ ভোগ করছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ দানাদার খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে।

তিনি বলেন, চাল উৎপাদনে বিশ্বে-তৃতীয়, মাছ উৎপাদনে বিশ্বে-তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে বিশ্বে-তৃতীয় স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নিত হয়েছে। দেশে আজ শেখ হাসিনার হাত ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল বইছে।

জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। রোববার ১২ আগস্ট রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বক্তব্য রাখেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ৪৩ বছর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে বাঙালি জাতি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের। সেদিন ঘাতকরা তিনটি বাড়িতে লক্ষ্যবস্তু করে আক্রমণ করেছিল। সেদিন গৃহকর্মীসহ কেউ রেহাই পায়নি। ১৫ আগস্ট যারা জীবন দিয়েছেন শ্রদ্ধাবনতচিত্তে তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন- স্বাধীনতারপর যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ, গুদামে চাল নাই, ব্যাংকে টাকা নাই। বঙ্গবন্ধু বলেন- আমার মাটি আছে, মানুষ আছে, আমি বাংলাকে গড়বো। বঙ্গবন্ধু ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকদের খাজনা মওকুফ করে দেন। পাকিস্তানি আমলের কৃষি ঋণ মওকুফ করে দেন।

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, ইতিহাসের মহানায়ক যে মহামানবের সৃষ্টি না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। সে মহান নেতাকে ও তার পরিবারকে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ কাকডাকা ভোরে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তাদের বুলেটের আঘাতে হত্যাকরা হয়। বাংলার কৃষক ও কৃষিকে ভালোবেসে বঙ্গবন্ধু কৃষি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। কৃষি ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর নজর ছিল সবচেয়ে বেশি। বঙ্গবন্ধু ক্ষুধামুক্ত দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা দেখতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

এফএইচএস/জেএইচ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :