হাতিরঝিলে আইস্যা নয়ন জুড়াইছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৬ পিএম, ২৫ আগস্ট ২০১৮

চিড়িয়াখানা, শিশুপার্ক আর জাদুঘর। রাজধানীতে বিনোদনের কেন্দ্র বলতে হাতেগোনা এই নামগুলো প্রথমে আসে। এর সঙ্গে নতুন যোগ হয়েছে খাবারের রেস্টুরেন্টগুলো। তবে কয়েক বছর ধরে রাজধানীবাসীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্রের তালিকায় যোগ হয়েছে হাতিরঝিল।

hatir-jheel

প্রতিদিনের ক্লান্তি দূর করতে বছরজুড়ে হাতিরঝিলে ভিড় করেন অনেকে। ব্যক্তিক্রম নয় ঈদের দিনগুলোও। বিকেল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত এখানকার মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন রাজধানীবাসী।

hatir-jheel

ঈদের শেষ ছুটির দিন শনিবার বিকেল থেকে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও প্রিয় মানুষের সঙ্গে হাতিরঝিলে আসেন অনেকে। ঝিল সংলগ্ন রামপুরা, বাড্ডা, তেজগাঁও, মধুবাগ এলাকা এবং এর ব্রিজগুলোর ওপর তরুণ-তরুণীদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।

hatir-jheel

নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসব মানুষ ঝিলপাড়ে বসে জমপেশ আড্ডা জমান। নির্মল ও মনমাতানো পরিবেশে এসে স্বস্তির হাসি যেন সবার মুখে। বিশেষ করে এবারের ঈদে যারা বাড়ি যেতে পারেননি মূলত তারাই দল বেঁধে ভিড় করছেন ঝিল পাড়ের বিভিন্ন পয়েন্টে।

hatir-jheel

যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল থেকে আসা কলেজ শিক্ষার্থী সোহরাব আলী বলেন, আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে এসেছি। ইউটিউবে ওয়াটার ড্যান্সের অনেক ভিডিও দেখেছি। এবার নিজ চোখে দেখার জন্য হাতিরঝিলে আসা। অপর বন্ধু ওয়াসিম মিয়া জানান, এখানে আইস্যা নয়ন, মন সবই জুড়াইছে। এমন পরিবেশ ঢাকা শহরের আর কোথাও পাওন যাইব না।

hatir-jheel

ঘোরাঘুরির পাশাপাশি ওয়াটার ট্যাক্সিতে চেপে পুরো হাতিরঝিল ঘুরতে দেখা যায় অনেককে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে হাতিরঝিলের কারওয়ান বাজারের অংশ, রামপুরা ও গুলশান পর্যন্ত ওয়াটার ট্যাক্সিতে চড়ে বসছেন অনেকে। কেউ কেউ প্যাডেলচালিত ছোট ছোট বোটে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছেন লেকের জলে।

hatir-jheel

এদিকে হাতিরঝিলের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে মহানগর পুলিশ। বিশেষ করে বেপরোয়া যানবাহন চলাচল বন্ধে রামপুরা ব্রিজের অংশে বসানো হয়েছে পুলিশ অস্থায়ী চেকপোস্ট। এখানে হেলমেট ও কাগজপত্রবিহীন যানবাহনকে মামলা দেয়া হচ্ছে। নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে দ্রুত যান চলাচলে।

এআর/এমএআর/জেআইএম