ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হচ্ছে দু’টি নতুন বোয়িং

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বহরে চলতি বছরের নভেম্বরে দু’টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট সংযোজিত হতে যাচ্ছে। বর্তমানে ইউএস-বাংলার বহরে ১৬৪ আসনের ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও ৭৬ আসনের তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ সহ মোট সাতটি এয়ারক্রাফট রয়েছে। বর্তমানে সংযোজনের অপেক্ষায় থাকা নতুন দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এ ৮টি বিজনেস ক্লাস ও ১৫৯টি ইকোনমিক ক্লাসের আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন রয়েছে।

শনিবার ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স লিমিটেড এর পক্ষে ডিজিএম (মার্কেটিং সাপোর্ট অ্যান্ড পিআর) মো. কামরুল ইসলাম প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নভেম্বরের প্রথম ও তৃতীয় সপ্তাহে পর্যায়ক্রমে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট বিমান বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে। নতুন বোয়িং ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হতে যাওয়ায় অধিক আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়ন করা সহজ হবে। এছাড়া বর্তমানে পরিচালিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধি করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারি বিমান সংস্থা। ১৭ জুলাই ২০১৪ দ্রুতগতি সম্পন্ন দু’টি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ইউএস-বাংলা ঢাকা থেকে যশোরে উদ্বোধনী ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বর্তমানে সপ্তাহে প্রায় ৩০০টির অধিক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। যাত্রা শুরু করার পর চার বছরে প্রায় ৪৫ হাজার এর অধিক ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, যা বাংলাদেশে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি রেকর্ড। বর্তমানে ইউএস-বাংলা আন্তর্জাতিক রুট সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, গুয়াংজু, মাস্কাট, দোহা ও কলকাতাসহ অভ্যন্তরীণ রুট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, রাজশাহী ও বরিশাল রুটে নিয়মিতভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা।

‘ফ্লাই ফাস্ট-ফ্লাই সেফ’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, নতুন দু’টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট ছাড়াও দ্রুততম সময়ে দু’টি ড্যাশ ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট বিমান বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স জেদ্দা, দাম্মাম, রিয়াদ, হংকং, দিল্লী, চেন্নাই, কলম্বো, মালেসহ বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট চালানোর পরিকল্পনা করছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স যাত্রা শুরুর পর থেকে অন-টাইম ফ্লাইট অপারেশন, আন্তর্জাতিক মানের কেবিন সার্ভিস, উন্নত মানের নিজস্ব ক্যাটারিং সার্ভিস, যা যাত্রী সাধারণের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য এয়ারলাইন্স হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ইউএস-বাংলা’র সঠিক সময়ে ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ড শতকরা ৯৮.৭ ভাগ।

জেএইচ/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :