বর্জ্য ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ পর্যায়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৮ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০১৯

ল্যান্ডফিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্জ্য ডাম্পিং নিয়ে বিপাকে পড়ছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আমিন বাজার ল্যান্ডফিল ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলও ভরাটের পথে।

নতুন করে সম্প্রসারিত বর্জ্য ডাম্পিংয়ের প্রকল্পের জন্য আরও ৮১ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে ডিএসসিসি। প্রকল্পটি একনেকে পাস হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণের কাজ বর্তমানে শেষের পথে। এরপরই নতুন সম্প্রসারিত ৮১ একরের মধ্যে ৫০ একর ল্যান্ডফিল ও ৩১ একর জায়গা বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে। এতে বড় ধরনের একটি দগ্ধকরণ অংশ নির্মাণ করা হবে। যেখানে দুটি পৃথক অংশ থাকবে যার মধ্যে একটিতে সাধারণ বর্জ্য এবং অন্যটিতে ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য দগ্ধ করা হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণের জন্য ৮১ একর জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি একনেক থেকে অনুমোদন হয়ে এসেছে। জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষে ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণের কাজ শুরু করতে পারবো।

অন্যদিকে ডিএনসিসিতে এলাকায় উৎপাদিত বর্জ্য ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে আমিন বাজার ল্যান্ডফিলে। এই ল্যান্ডফিলটি ২০০৬ সালে করা হলেও মেয়াদ ছিল ২০১৭ সাল পর্যন্ত। মেয়াদ শেষ হলেও নতুন করে বর্ধিত করা হয়নি। ফলে এ ল্যান্ডফিল্ডটি ভরাট হয়ে আশপাশের আরও ২০ একর জমি ভরাট হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ডিএনসিসির বর্জ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আমিন বাজার ল্যান্ডফিল্ড ভরাট হওয়ার পর নতুন করে আরও ৮১ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য জিওবি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন হলে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে।এ ছাড়া বর্জ্য ট্রিটমেন্ট প্লান্ট করার জন্য নাসিরাবাদ এলাকায় জায়গা অধিগ্রহণের জন্য জিওবি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

প্রায় দুই কোটি মানুষের বসবাস রাজধানী ঢাকায়। বাসাবাড়ির ময়লাসহ রাজধানীতে প্রতিদিন জমা হয় প্রায় সাড়ে ৬ হাজার থেকে সাত হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য। এসব বর্জ্য অপসারণে দুই সিটি কর্পোরেশনের নেই পর্যাপ্ত জনবল। যে কারণে বর্জ্য অপসারণে প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছে দুই সিটি কর্পোরেশন।

অন্যদিকে ঢাকনা ছাড়া ট্রাক বা ভ্যান দিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন বন্ধ করার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন খোলা গাড়িতে বর্জ্য অপসারণ করা হচ্ছে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে। এতে করে তীব্র দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে।

এ বিষয়ে ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম বলেন, বর্জ্য অপসারণে আমরা কন্টেইনার গাড়ি ব্যবহার করি। আর খোলা গাড়িতে বর্জ্য অপসারণ করা হলে সেসবে আবর্জনা ঢাকতে ত্রিপল ব্যবহার করা হয়।

এএস/এমএমজেড/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :