বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের স্বত্ব লিজ দেয়া হয়নি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১১ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর স্বত্ব (মালিকানা) কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়নি, এটি দেশের জনগণের সম্পত্তি। সে কারণে স্যাটেলাইটের স্বত্ব নিয়ে যেসব কোম্পানি বা ব্যক্তিবর্গের নামে লিজ দেয়ার তথ্য খবরের কাগজ বা গণমাধ্যমে আসে, তা সত্য নয়।

বুধবার জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

এর আগে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলেন- ‘বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় খবর বের হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের স্বত্ব শুধু বেক্সিমকো ও অন্য একটি কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হয়েছে। কেউ যদি এ স্যাটেলাইটের সুবিধা নিতে চান তা হলে এ দুটি কোম্পানির কাছ থেকে কিনতে হবে’ এটি সত্যি কি-না? এ প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, এটি জাতীয় সম্পত্তি কারও কাছে লিজ বা স্বত্ব বিক্রি করা হয়নি। এটা সত্যি নয়।

ইসরাফিল আলমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত দেশে ৫২৯৫টি ডিজিটাল সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। এসব সেন্টারে প্রায় ১০ হাজারে বেশি উদ্যোক্তা কাজ করছে। ২০২১ সালের মধ্যে গ্রামগঞ্জে ২০ হাজার ডিজিটাল সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

এ সব ডিজিটাল সেন্টারে সবার জন্য একটি ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেন্টার’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা, ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান ও আমানত গ্রহণ, বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ, পাসপোর্ট বিল গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় নানাবিধ সেবা দেয়া হচ্ছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের সব স্কুলে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে। এসব ল্যাবে শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে নয় স্কুল ছুটির পরে অন্যদেরও এ ল্যাবে শেখার সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ নিজে মোবাইল ও ল্যাপটপ বানাচ্ছে ও রফতানি করছে। ইতোমধ্যে উন্নত মানের মোবাইল ফোন উৎপাদনের জন্য ৬টি কারখানা চালু হয়েছে। আরও ৬টি অবিলস্বে চালু হচ্ছে। এখন আর মোবাইল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে না। আমরা এদেশে কম্পিউটারের মাদার বোর্ড উৎপাদনের চেষ্টা করছি। তেমনি আমরা ল্যাপটপ তৈরি করার জন্য আমরা কারখানা চালু করছি। সেখানে মাদার বোর্ড তৈরি হবে।

এইচএস/জেএইচ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :