আখেরি মোনাজাত শুরু

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১১:৫৫ এএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে আয়োজিত সাদ অনুসারীদের ইজতেমার আখেরি মোনাজাত শুরু হয়েছে। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়। মোনাজাত পরিচালনা করছেন তাবলিগ জামাতের দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের মাওলানা মুহাম্মদ শামীম।

আজ মঙ্গলবার এ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দ্বিতীয় ধাপের ইজতেমা। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ইজতেমার প্রথম ধাপ শুরু হয়।

সাদ অনুসারী মো. হারুন জানান, গত দুইদিন ধরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে বয়ান শুনে ও ইবাদত-বন্দেগিতে দিন পার করছেন সাদ অনুসারী মুসল্লিরা। আজ আখেরি মোনাজাত শেষে প্রত্যেকে যার যার গন্তব্যে ফিরে যাবেন।

সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ ফজর দিল্লির নিজামউদ্দিন মারকাজের মাওলানা মুরসালিন উর্দুতে বয়ান করেন। পরে বাংলাদেশের আব্দুল্লাহ মনসুর বাংলায় অনুবাদ করেন। এরপর তালিমের মুয়াল্লিমদের উদ্দেশ্যে উর্দুতে বয়ান করেন দিল্লির মুফতি রিয়াসদ আলী।

Munajat

বাদ জোহর উর্দুতে বয়ান করেন দিল্লির শাহজাদ এবং বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা মুনির বিন ইউসুফ। বাদ আছর বয়ান করেন সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম।

বাদ মাগরিব উর্দুতে বয়ান করেন দিল্লির মুরুব্বি মাওলানা শওকত এবং বাংলায় অনুবাদ করেন মুফতি জিয়া বিন কাশেম।

গত ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় মাওলানা জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা। মাওলানা জোবায়ের অনুসারীদের আগামী ২০২০ সালের ইজতেমা ১০ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৭ থেকে ১৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি জোবায়ের অনুসারীদের আখেরি মোনাজাতের পর এই ঘোষণা দেয়া হয়।

আগামী বছর মাওলানা সা’দ অনুসারীদের ইজতেমার তারিখ পরে ঘোষণা করবেন তাদের আমির মাওলানা সা’দ। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইজতেমা ময়দানে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সা’দ অনুসারী মাওলানা মো. আশরাফ আলী।

মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ইজতেমা ময়দানে ৩৬টি দেশের প্রায় ১২শ বিদেশি মেহমানও ইজতেমা ও আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ময়দানে উপস্থিত ছিলেন বলে ইজতেমা কর্তৃপক্ষ জানান।

হেদায়েতি বয়ান

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হেদায়েতি বয়ান শুরু করেন দিল্লির মাওলানা মুহাম্মদ শামীম। বয়ানে তিনি বলেন, ‘যে দ্বীন ইসলামের বিধান অনুসারে চলবে এবং হজরত মুহাম্মদের (সা.) জীবনাদর্শ অনুসরণ করবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা অর্জন করবে।’

Munajat-3

তিনি আরও বলেন, ‘ঈমানকে শক্তিশালী করতে হলে মানুষকে মসজিদের পরিবেশে বসাতে হবে। মুসলমানের নামাজ ছাড়ার প্রশ্নই আসে না। নামাজ এমনভাবে আদায় করতে হবে, যেমন নবী করিম (সা.) আদায় করেছেন। জবরদস্তি করে নয়, তাজিমের সঙ্গে বুঝিয়ে কাউকে মসজিদে নিয়ে আসতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকটি কাজ আল্লাহকে রাজি ও খুশি করার জন্যই করতে হবে। নামাজ সমস্ত গুনাহ থেকে বিরত রাখে। সহিহভাবে নামাজ আদায় শিখতে হবে। নামাজের দরকারি সুরাগুলো সহিহ-শুদ্ধভাবে শিখতে হবে।’

এফএইচএস/এসআর/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :