বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান

কূটনৈতিক প্রতিবেদক কূটনৈতিক প্রতিবেদক কূটনৈতিক
প্রকাশিত: ০৯:০২ পিএম, ১৮ মার্চ ২০১৯

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সুইডেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকীতে গতকাল রোববার (১৭ মার্চ) সুইডেনের স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

দূতাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সুইডেনে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক শিশু-কিশোর, প্রবাসী বাংলাদেশিসহ মিশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সপরিবারে অংশ নেন।

রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অবিস্মরণীয় অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বঙ্গবন্ধুর অতুলনীয় দেশপ্রেম ও শিশুদের প্রতি গভীর মমত্ববোধের দৃষ্টান্ত অনুসরণের জন্য এবং শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জীবন গড়ার ও পরবর্তীতে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার (১৮ মার্চ) সুইডেনের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দিবসের মূল অনুষ্ঠান সূচিতে ছিল পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ, সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত বাণী পাঠ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবনীর ওপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন, বঙ্গবন্ধুর শৈশব, সংগ্রামী রাজনৈতিক ও কর্মজীবনের ওপর আলোচনা, শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে রচনা, চিত্রাঙ্কন, ছড়া-কবিতা ও গল্প বলা প্রতিযোগিতা, শিশুশিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী এবং মধ্যাহ্নভোজ।

bangladesh

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে দূতাবাসের অভ্যর্থনা কক্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য বয়সভিত্তিক এক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বিপুলসংখ্যক শিশু-কিশোর তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানোর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। এরপর দিবসটি নিয়ে আলোচনায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে শিশুদের প্রতি গভীর মমত্ববোধসহ তার শৈশব, পারিবারিক জীবন এবং স্কুল জীবনের বিভিন্ন ঘটনা ও দিক তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সাংস্কৃতিক আয়োজনে শিশুদের কবিতা আবৃত্তি, গল্প বলা এবং গান পরিবেশন উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রদূত প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্থান অধিকারী শিশু-কিশোরদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

এছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিশু-কিশোরকে দেয়া হয় শুভেচ্ছা উপহার। মধ্যাহ্নভোজ পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

জেপি/আরএস/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :