মৌলভীবাজারে সীমান্ত হাটের জন্য জমি অধিগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৪৯ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০১৯

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ‘পশ্চিম বটুলী-পালবন্তী (রাঘনা বাজার) (উত্তর ত্রিপুরা)’ সীমান্ত হাটের জন্য শূন্য দশমিক ৭৭৯০ একর ভূমি অধিগ্রহণ করছে সরকার। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ লাখ তিন হাজার ৬৬৭ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

টাকা বরাদ্দের জন্য সম্প্রতি মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ১০ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মো. সেলিম হোসেন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি অর্থ সচিব বরাবর পাঠিয়ে অর্থ ছাড়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বাবদ ১৭ লাখ তিন হাজার ৬৬৭ টাকা মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের তহবিলে জমা প্রদানের নিমিত্তে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের চারটি সীমান্ত হাট চালু রয়েছে। ২০১১ সালের ১৬ জুলাই কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার বালিয়ামারী সীমান্তে সোনাভরি নদের তীরে প্রথম সীমান্ত হাট চালু হয়। বর্তমানে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার বালিয়ামারি, সুনামগঞ্জের ডলুরা, ফেনীর ছাগলনাইয়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার তারাপুরে সীমান্ত হাট চালু রয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে হাটের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। তবে এ বছর নতুন আরও ছয়টি সীমান্ত হাট চালুর ব্যাপারে দু’দেশই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাঘাট, জুড়ি উপজেলার পশ্চিম বিটুলি, সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সায়দাবাদ, দুয়ারাবাজারের বাগানবাড়ি ও ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার ভূঁইয়া পাড়ায় সীমান্ত হাট চালুর কার্যক্রম চলছে।

সংশোধিত সমঝোতা অনুযায়ী এখন থেকে সীমান্ত হাটে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সকল পণ্য, শাড়ি, হস্তশিল্পজাত পণ্য ও স্টেশনারি বিক্রি করা যাবে। এছাড়া উভয় দেশের ক্রেতা বিক্রেতার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে ২৫-৫০ জনে। ক্রয়সীমা করা হয়েছে দুইশ ডলার। যা আগে ছিল একশ ডলার। দু’দেশের মানুষের শুল্কমুক্তভাবে পণ্য কেনাবেচা সহজলভ্য করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এমইউএইচ/এএইচ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :