চিকিৎসাসেবায় র‌্যাব, ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিবারণে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:১৩ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০১৯

পহেলা বৈশাখে নতুন বছরের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রমনা বটমূলে শুরু হয় ছায়ানটের প্রভাতি অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান শুরুর পর থেকেই সেখানে সমাগম হয় মানুষের। এসব মানুষদের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন ডিএমপি পুলিশের সদস্যরা।

রোববার সকালে রমনা পার্ক ঘুরে দেখা যায়, রমনা উদ্যানের ভেতরে স্টল দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পানির বোতল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। সেখানে আসা নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের হাতে তুলে দিচ্ছেন পানি। অসংখ্য নারী-পুরুষ ও শিশুকে ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে স্টলের সামনে গিয়ে পানি সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। নর্ববর্ষের শুভেচ্ছা-সম্বলিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে তৃষ্ণার্ত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে এসব পানি। যদিও এ পানি রাখা হয়েছে মূলত নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের জন্য তারপরও সেখানে থেকে পানি নিয়ে খাচ্ছেন সবাই।

কথা হয় ষাটোর্ধ্ব আফজাল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রাজধানীতে হাজার মানুষের ঢল সামলিয়ে নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পানি বিলিয়ে হাজার হাজার মানুষের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন। এটা তাদের কর্তব্য ও নিষ্ঠার পরিচয় বহন করে। তারা যে মানুষের সেবায় নিয়োজিত সেটা পানি বিতরণের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ দিচ্ছেন।’

water1

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে রমনা বটমূলে এসেছেন তাহসিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সায়েন্সল্যাব থেকে পায়ে হেঁটে আসতে আসতে হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। পুলিশের সরবরাহ করা এক বোতল মিনারেল ওয়াটারে তৃষ্ণা মিটিয়েছি।’

তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি পার্কের বাইরে শিশুদের লাল গোলাপ ও বড়দের হাতে বাতাসা দিয়ে বাংলা নববর্ষ-১৪২৬-এর শুভেচ্ছা জানাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। অন্যদিকে, র‌্যাবের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য সেবাকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সামিয়ানা টানিয়ে মানুষের বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে পার্কে ঘুরতে আসা ব্যক্তিদের।

এর আগে পহেলা বৈশাখে প্রভাতের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবে মেতে ওঠে পুরো জাতি। রমনা বটমূলে শুরু হয় ছায়ানটের প্রভাতি অনুষ্ঠান। শুরু হয় বাঙালির বর্ষবরণ। ছায়ানট আর বাঙালির বর্ষবরণ এখন সমার্থক শব্দ। প্রতিবছরের মতো এবারও রমনার বটমূলে শিল্পীদের গানের মধ্য দিয়েই যেন উদিত হলো নতুন বছরের নতুন সূর্য।

এফএইচ/এসআর/এমএস