বিপিও সম্মেলনে প্রবেশে ভোগান্তি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:১৩ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০১৯

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিপিও সম্মেলনে প্রবেশে আগত দর্শনার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। রোববার সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি চলে যাওয়ার পর দর্শনার্থীদের জন্য সম্মেলন উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

দর্শনার্থীদের অভিযোগ, উন্মুক্ত করে দেয়া হলেও আয়োজকদের অব্যবস্থাপনা ও ভিড়ের কারণে তাদের দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। রৌদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা ছিল খুবই কষ্টের। দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকার কারণে পানি পিপাসা লাগলেও সেখানে কোনো ধরনের পানি পানের ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

এক ভুক্তভোগী জানান, সকাল সাড়ে ৮টায় সম্মেলনে যোগ দিতে আসেন তিনি। প্রবেশের সুযোগ না পেয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। সজীব ওয়াজেদ জয় চলে যাওয়ার পরও তাকে বেলা ২টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।

BPO

সম্মেলনে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘এ জন্য গর্ববোধ করি যে, আমাদের জিপিও খাতে অনেক তরুণ-তরুণীরা কাজ করছে। বাংলাদেশে এটা সাধারণত দেখা যায় না। তারা নিজেদের দক্ষতায় এই খাতে কাজ করছে। তারা প্রচলিত সরকারি চাকরির পেছনে ছুটছে না।’

চতুর্থবারের মতো বিপিও সামিট আয়োজন করছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং বা বাক্য।

এবারের আয়োজন সফল করতে দেশব্যাপী সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে বাক্য। সামিট থেকে তরুণ রা বিপিও খাতে চাকরির সুযোগ পাবেন।

এর আগে ২০১৬ সালে সরাসরি ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে এই সম্মেলন থেকে কল সেন্টারসহ বিভিন্নখাতে চাকরি পেয়েছে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী। ২০১৫ সালে প্রথম বিপিও সম্মেলন হতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছিল ২৩৫ শিক্ষার্থী। দুইদিনের আয়োজনে দেশি-বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সরকারের নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিপিও খাতের সঙ্গে জড়িতরা অংশ নেবেন। প্রদর্শন করা হবে আউটসোর্সিং সেবা। খাতটিতে ২০২১ সালের মধ্যে এক লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

BPO

আয়োজনে অংশীদার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি), বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ) ও বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি)।

এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এ ছাড়াও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।

আরএম/পিডি/জেএইচ/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :