৪০ লাখ পোশাক শ্রমিকের দিন কাটে উৎকণ্ঠায়

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৪১ পিএম, ২৮ মে ২০১৯

প্রতিবছর ঈদ আসে শ্রমিকের জীবনে উৎকণ্ঠা নিয়ে। ঈদে বাড়ি যাওয়া, আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আনন্দের চাইতেও তারা দুশ্চিন্তায় থাকে বেতন ও বোনাস পাবেন কি-না তা নিয়ে।

রাষ্ট্রীয় পাটকলের শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ৯ দফা দাবিসহ তাদের বকেয়া বেতনের জন্য। ৪০ লাখ গার্মেন্ট শ্রমিকের প্রতিটি দিন কাটে এই উৎকণ্ঠায় যে, তারা সময়মত বেতন-বোনাস পাবে কি-না। যাদের শ্রমে দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরে তাদের সঙ্গে এই আচরণ চরম দায়িত্বহীনতার পরিচায়ক।

২৫ রমজানের আগে ঈদ বোনাস, বকেয়া মজুরি পরিশোধ ও মজুরি কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে নেতারা বলেন, আশঙ্কা করা হচ্ছে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকরা তাদের বকেয়া বেতন ও বোনাসসহ অন্যান্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হবে। আমরা পুনরায় দাবি জানাচ্ছি, ২৫ রমজানের আগে শ্রমিকদের সব পাওনা পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকার যথাযথ উদ্যোগ নেবে। এর পাশাপাশি রেশন প্রথা চালু করে সস্তা ও বাধা মূল্যে চাল, ডাল, তৈল, চিনিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে সরবরাহের দাবি জানান তারা।

নেতারা আরও বলেন, ঈদ কোনো আকস্মিক বিষয় নয় । ফলে ঈদের আগে বেতন না দেয়াটা মালিকের অসৎ উদ্দেশ্য এবং সরকারের উদাসীনতার ফল। শ্রমিকদের প্রাপ্য দিতে তালবাহানা করার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তারা বলেন, ২৫ রমজানের মধ্যে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করুন যাতে শ্রমিকরা তাদের ঈদ উদযাপন এবং নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করতে পারে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন স্কপের কেন্দ্রীয় নেতা লেবার ফেডারেশনের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। এতে বক্তব্য রাখেন ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, আনোয়ার হোসেন, নূরুল আমিন, হাবিবউল্লাহ, রাজেকুজ্জামান রতন, নাইমুল আহসান জুয়েল, আব্দুল ওয়াহেদ, শামিম আরা প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন স্কপের যুগ্ম সমন্বয়কারী কামরুল আহসান ।

এফএইচএস/জেএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]