প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর রাষ্ট্রের ঐতিহ্যের ধারক বাহক

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৪২ পিএম, ১৬ জুন ২০১৯

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন একটি অধিদফতর। এটি একটি রাষ্ট্রের ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় ধারক ও বাহক। বর্তমানে দেশে সংরক্ষিত প্রত্নস্থলের সংখ্যা ৫০১টিতে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে ৪১-৪২টিতে দর্শনার্থীদের বিনিময়ে জনসাধারণের প্রবেশাধিকার রয়েছে।

আমাদের হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে দেশে-বিদেশে তুলে ধরতে হলে এ অধিদফতরের কর্মকাণ্ডে আরও গতির সঞ্চার করতে হবে বলে জানান তিনি।

রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের সেমিনার কক্ষে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর আয়োজিত বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ পদ্ধতির বাস্তবতা ও সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করুন যাতে মন্ত্রণালয় আলোর দ্যুতি ছড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে তিনি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, আগামী ছয় মাসের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নপূর্বক কাজে গতিশীলতা আনয়ন করুন যাতে এ অধিদফতরের কার্যক্রম জনসমক্ষে আরো দৃশ্যমান হয়। তিনি প্রত্নতত্ত্ব সেক্টরে দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে এ সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. হান্নান মিয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. অসিত বরণ পাল।

সেমিনারে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. বুলবুল আহমেদ ও ড. মোকাম্মেল হোসেন ভুঁইয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের উপ-পরিচালক (প্রত্ন সম্পদ ও সংরক্ষণ) মো. আমিরুজ্জামান।

এমইউ/এমআরএম/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :