জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বের সহায়তা প্রয়োজন

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৫৬ এএম, ১২ জুলাই ২০১৯
ফাইল ছবি

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বের সহায়তা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতকালে বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক জন রোমে এ কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বিশ্বব্যাংক প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ৫৮ শতাংশ বায়ু দূষণ হয় ইটভাটা থেকে। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে ইটভাটা আইন যুগোপযোগী করে বাস্তবায়নে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাছাড়া ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল প্রজেক্টের মাধ্যমে যান্ত্রিক যানবাহনের ধোঁয়া ও ইটভাটা থেকে নির্গত ধোঁয়া নির্মূল এবং বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। তিনি বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট প্রজেক্ট এবং স্ট্রেনন্থেনিং রিজিয়নাল কো-অপারেশন ফর ওয়াইল্ড লাইফ প্রটেকশন প্রজেক্টে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তার কথা উল্লেখ করে পরিবেশ উন্নয়নের অন্যান্য সেক্টরেও বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

শাহাব উদ্দিন বলেন, সম্প্রতি কম্প্রিহেনসিভ এনভায়রনমেন্ট প্রজেক্ট নামে একটি প্রকল্প প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে জমা দেয়া হয়েছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এ প্রকল্প প্রস্তাব খুব তাড়াতাড়ি বিশ্বব্যাংকের কাছে পৌঁছাবে। তিনি এই প্রকল্পটিতে সহায়তা করার জন্য বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধির প্রতি আহ্বান জানান।

বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক জন রোমে বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বায়ুদূষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। বায়ুদূষণ রোধে গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ পদক্ষেপ আরও ব্যাপকভাবে কার্যকর করতে হবে। বিশ্বব্যাংক পরিবেশ ইস্যুতে বাংলাদেশের সাথে সব সময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে বলেও জানান তিনি।

সাক্ষাতকালে পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার উপস্থিত ছিলেন। এরপর অপর এক বৈঠকে কানাডার ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাম্বাসেডর মিস. প্যাট্রিসিয়া ফুলার মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।

এফএইচএস/এমএসএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]