শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান

কূটনৈতিক প্রতিবেদক কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:২০ পিএম, ১৫ আগস্ট ২০১৯

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সুখী ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভিয়েতনামে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানী হ্যানয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় শোক দিবস এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকীর এক সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। হ্যানয়ে থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়তে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ‘রূপকল্প-২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সকলের প্রতি তিনি উদাত্ত আহ্বান জানান।

ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোনত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার অর্জনের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

Viyetnam-(2)

শোক সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ভিয়েতনামের ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ও ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রদূত হোরহে রন্ডন উজকাটিগুই উপস্থিত ছিলেন। ১৫ আগস্ট জাতির জনক এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ যারা শাহাদাৎ বরণ করেছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি, ভিয়েতনাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ভিয়েতনাম টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধি ও অন্যান্য মিডিয়া, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মরণ সভার শেষ পর্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এর আগে রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যুষে জাতীয় সঙ্গীত সহকারে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন।

স্মরণ সভার প্রারম্ভে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের শহীদ সদস্যরাসহ অন্যান্য শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা করা করা হয়। প্রার্থনা শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে রাষ্ট্রদূত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

জেপি/আরএস/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :