হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা হত্যা করেছেন জিয়া : শামসুদ্দিন মানিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৪২ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০১৯

বিচারপতি (অব.) এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেছেন, জিয়াউর রহমান হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা হত্যা করেছেন। কত হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করেছেন সেটা বের করা সম্ভব। এজন্য একটি কমিশন ও জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বের করে তা জনগণের সামনে প্রকাশের জন্যও কমিশন গঠন জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সিরিজ বোমা হামলা-২০০৫; মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম (বোয়াফ) এ সভার আয়োজন করে।

সংগঠনের সভাপতি কবীর আহমেদ চৌধুরী তন্ময়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী সিকদার, লেখক গবেষক, বীরপ্রতীক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, ১৭ আগস্ট ও ২১ আগস্টের ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ছক ১৯৭৩ সালে আমেরিকায় গিয়ে জিয়া এঁকেছেন। তিনিই এই ছক কষেছিলেন। কেন তিনি আমেরিকায় গিয়েছিলেন তার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে। কেন তিনি আমেরিকায় গেলেন? কেন একটি সুটকেস আনার জন্য উঠে পড়ে লাগলেন?

তিনি বলেন, আগস্ট অনেক অঘটনের নাম। জিয়া শুধু বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল নায়ক ছিলেন তা নয়, তিনি দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। তা কাটিয়ে উঠতে অনেক দিন লেগেছে। বর্তমান সরকার তাদের দাবিয়ে রেখেছে, স্থিমিত করেছে, কিন্তু তারা শেষ হয়ে যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে জিয়ার পূর্বসূরিরা জঙ্গিবাদের রাজনীতি শুরু করেছিল। মোনোয়েম খানের নীতি নিয়েই জিয়ার জন্ম। সেই মোনায়েম খান ন্যাশনাল স্টুডেন্ট ফোরাম নামে সন্ত্রাসী ছাত্র সংগঠন করে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিল। ’৭১ এর যুদ্ধের মধ্য দিয়েই এগুলো সব নিঃশ্বাস হয়ে গেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আবার তা শুরু করেন মোনায়েম আহমেদের উত্তরসূরি জিয়াউর রহমান।

দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা বেড়েছে বলে দাবি করেন বিচারপতি (অব.) এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। তিনি বলেন, পূর্বে দেশে হিন্দুদের সংখ্যা কমলেও বর্তমানে তা বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে হিন্দুদের সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়েছে। যারা চলে গিয়েছিল তারা ফিরে আসবে। আমরা চাই তারা ফিরে আসুক। কারণ বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ।

এমইউএইচ/জেএইচ/এমএস