ভবনে প্রবেশে বাধায় দণ্ডবিধি আইন প্রয়োগ করতে চায় ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১৫ পিএম, ২১ আগস্ট ২০১৯

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে অভিযানে যেতে অনেক সময় বাধা পাচ্ছে সংস্থাটি। সে কারণে দণ্ডবিধির আইন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ডিএনসিসি। ১৮৬০ সালে প্রণীত দণ্ডবিধি আইন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের একটি কনভেনশন হলে ‘মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

ডিএনসিসির ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তারা সভায় অংশ নিয়ে মশক নিধন কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, মন্ত্রণালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

মেয়র বলেন, একটি ভবনের নিচে ভাঙা পা নিয়ে ৪৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। আরেকটি ভবনে ইচ্ছে করে লিফটের ডিভাইস খুলে বন্ধ রাখা হয়েছিল। অন্য একটি ভবনে ছাদের চাবি দেয়া হচ্ছিল না। এ সব বাধা পেরিয়ে কর্মকর্তাদের নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি পেনাল কোড- ১৮৬০ প্রয়োগ করব। আইনে সে সুযোগ রয়েছে। পেনাল কোডের ২৬০, ২৭০, ১৮৪ ও ১৮৫ ধরাসহ বিভিন্ন ধারায় সরকারি কাজে কর্মকর্তাদের বাধা দেয়ার শাস্তির বিধান হয়েছে।

aticul

আতিকুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করতে এসে আমরা শিখেছি যে এটা শুধু কোনো মৌসুমের কাজ নয়। বরং এটি বছরজুড়ে ৩৬৫ দিনের কাজ। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। তবে আমাদের লোকবল সংকট রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের এক হাজার ৬০০ কর্মকর্তা দেয়া হয়েছে। আমরা তাদের সারা বছরের জন্য পেতে চাই। নতুন ১৮ ওয়ার্ডের জন্য আমাদের কোনো লোকবল নেই। রোববার থেকে ৩৬টি ওয়ার্ডে একযোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চিরুনি অভিযান চালানো হবে। এরপর ওই ১৮ ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম চলবে।

সভায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব নিয়েছি তাই আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। সেই দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করে যাচ্ছি। সিটি কর্পোরেশন, মেয়র, কাউন্সিলর ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ দুঃসময়ে একসঙ্গে কাজ করার যে নজির আপনারা রেখেছেন তা আরও আশা জাগাচ্ছে।

সভায় ডিএনসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছাড়াও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই, সচিব রবীন্দ্র শ্রী বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোমিনুর রহমান মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এএস/এএইচ/এমএস