‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছাও মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৫ পিএম, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

শনিবার ঢাকার রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) মিলনায়তনে দ্য ইঞ্জিনিয়ার্স-রত্নগর্ভা মা, ২০১৯ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা রত্নগর্ভা মায়েদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, উপস্থিত সব রত্নগর্ভ মার মুখে বিজয়ের হাসি। আপনারা এক একজন সফল যোদ্ধা। অনেক কঠিন পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন আপনাদের সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করতে। সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে আপনাদের পরিশ্রমের মূল্য সন্তানরা দিয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিণী হিসেবে বঙ্গমাতা সন্তানদের সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। বঙ্গবন্ধু সংবিধানে নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন এবং বঙ্গবন্ধুই প্রথম বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এই শিশুরাই একদিন দেশ পরিচালনা করবে। শিশুকে ভবিষ্যতের আদর্শ সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে মায়েরা প্রধান ভূমিকা পালন করে। শিশুর সবচেয়ে বড় সাথী হচ্ছে তার মা। একজন মা শুধু সন্তানের জন্মদাত্রী জননীই নন, তিনি শিশুর প্রথম ও প্রধান শিক্ষক।

তিনি আরও বলেন, শিশু মায়ের গর্ভে থাকার সময় থেকেই মাতৃসত্তাকে অনুধাবন, অনুকরণ করে। মায়ের সব কাজ, চিন্তা-চেতনা, আবেগ-অনুভূতি, আচরণ, মূল্যবোধ শিশুর পরবর্তী জীবনে প্রভাব ফেলে।

শিশুর জীবনের শিক্ষাকালীন নব্বই ভাগ সময় কাটে মায়ের কাছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিশুর শিক্ষার হাতেখড়ি থেকে বিশ্বের সব কিছুর প্রথম পরিচয় মায়ের কাছ থেকেই হয়। মা যত নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দরদের সঙ্গে তার শিশুর পরিচর্যা ও লেখাপড়া করিয়ে থাকেন, তা আর অন্য কারও পক্ষে সম্ভব নয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচি মা ও শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবে।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ, ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. ওয়ালিউল্লাহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, মনজুর মোর্শেদ, প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন শিপলু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ৬০ জন রত্নগর্ভা মাকে সম্মাননা দেয়া হয়।

এমইউএইচ/জেএইচ/এমকেএইচ