‘কৃষিযন্ত্রের সক্ষমতা যাচাইয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫২ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কৃষিযন্ত্র বিক্রির জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশ প্রস্তাব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, কৃষিযন্ত্রের দাম কৃষকের সহনীয় পর্যায়, কার্যকারিতা ও গুণগতমান অবশ্যই সঠিক হতে হবে। কোন এলাকায় কি ধরনের যন্ত্র প্রয়োজন তা নিরূপণ করে যন্ত্র সরবরাহ করা হবে। এ জন্য কৃষিযন্ত্রের সক্ষমতা যাচায়ে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবকে প্রধান করে কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মাঠ পর্যায়ে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি তথা কম্বাইন্ড হারভেস্টর, রিপার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের অনুকূলে কৃষি ভর্তুকি প্রদান প্রস্তাবনা বিষয়ক সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় মেশিনের সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরে কার্যকারিতা, মূল্য ও স্থায়ীত্বর ওপর আলোচনা হয়। বিভিন্ন এলাকায় এ যাবৎ কৃষিযন্ত্র দ্বারা কে কত টাকা আয় করেছে তাও উত্থাপন করা হয় সভায়।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কৃষিকে আধুনিকায়ন করে কৃষককে লাভবান করা। এ জন্য কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কাজ অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। কোন এলাকায় কি ধরনের যন্ত্র প্রয়োজন তা নিরূপণ করে যন্ত্র সরবরাহ করতে হবে। এছাড়া কোন জমি কি পরিমাণ চাষ করতে সক্ষম তা দেখতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে। এমন যন্ত্র আনা হবে যা সবাই ব্যবহার করতে পারে। যন্ত্র মেরামতের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এছাড়া সরকার যে পরিমাণ প্রণোদনা বাবদ দিবে যন্ত্রের বাকি টাকা কৃষক কিভাবে পরিশোধ করবে তাও দেখা হবে।

কৃষি সচিব বলেন মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত লিখিত আকারে যে চাহিদা পেয়েছি বাস্তবে ক্রয়ের সময় সে সংখ্যা কমবেশি হতে পারে। সেটি মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। তবে আমাদের প্রাধান্য থাকবে ব্র্যান্ডে। মেশিন পরীক্ষা করে মূল্যায়ন করতে হবে। প্রাথমিক মূল্যায়নের পরে ব্যবহার করার পরেও মূল্যায়ন করতে হবে। একই মেশিন দিয়ে বিভিন্ন প্রকৃতির জমি চাষ করা যায় কিনা সে বিষয়টিও নজরে আনতে হবে।

এমইউএইচ/এএইচ/এমএস