দু’দিনের অভিযানে ২১ হাজার বাড়ি পরিদর্শন, জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:২০ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (ডিএনসিসি) এডিস মশা নির্মূলে দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও চিরুনি অভিযান’ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত রয়েছে। অভিযানে বেশকিছু নির্মাণাধীন ভবন ও বাড়ির মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।

পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনকর্মীরা চিরুনি অভিযানের দ্বিতীয় দিন সোমবার ডিএনসিসির ৩৬টি ওয়ার্ডে ১০ হাজার ৭১৩টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে ২৬টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি খুঁজে পান। এছাড়া ৫ হাজার ২২১টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী স্থান/জমে থাকা পানি পেয়েছে। পরে এডিস মশার বংশ বিস্তারের উপযোগী এসব স্থান ধ্বংস করা হয়।

এছাড়া রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফা চিরুনি অভিযানে দুদিনে ৩৬টি ওয়ার্ডে ২০ হাজার ৭৬৩টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। এছাড়া ১১ হাজার ৯৯১টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী স্থান/জমে থাকা পানি পাওয়া গেছে।

উত্তরায় ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়নের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে ১টি নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়ায় ৩০ হাজার টাকা এবং ‘হাংরি ডাক’ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছাদে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

mosha1

শাহজাদপুরে ‘কনফিডেন্স টাওয়ারে’ এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বনানীতে নির্মাণাধীন ‘এসেট ডেভেলাপমেন্ট’, ‘আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন লি’, ‘সিগনেচার ডেভেলাপার’ এবং একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনের মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া ফুটপাত ও সড়ক দখল করে র্যাম্প তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনা করায় ‘কার স্পিড’ নামে একটি গাড়ির দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এডিস মশা নির্মূলে ডিএনসিসির ‘চিরুনি অভিযান’ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এএস/আরএস/এমএস