সাংবাদিকদের সঙ্গে আজ বসবেন বিমানের এমডি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২৭ এএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

দীর্ঘ ২৭ বছর বিরতি নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশে এয়ারলাইন্সে ফিরলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন। ২৭ বছর আগে বিমানে জুনিয়র অ্যাসিস্টেন্ট হিসেবে চাকরি করে গেলেও এবার মোকাব্বির হোসেন ফিরেছেন সংস্থাটির সর্বোচ্চ পদ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়ে। গত রোববার তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথমেই তাকে সামাল দিতে হয় রাজহংস উদ্বোধনের মতো একটি বড় অনুষ্ঠানের। যেটির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গতকাল ওই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন তিনি। এ নিয়ে অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দায়িত্বে বসার চার দিনের মাথায় আজ বিকেলে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বসবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র তাহেরা খন্দকার।

জানা গেছে, সিনেমার মতো মনে হলেও বিমানের সদ্য নিয়োগ পাওয়া ব্যবস্থাপনা পরিচালনক মো. মোকাব্বির হোসেনের চাকরি জীবনের গল্পটা এমনই বৈচিত্রময়। কর্মজীবনের শুরুটা তিনি করেছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে চাকরির মাধ্যমেই। ১৯৯১ সালে বিমানের ম্যানেজমেন্ট এন্ট্রি লেভেলে গ্রুপ ৩(২) গ্রেডে 'জুনিয়র কমার্সিয়াল অ্যাসিস্টেন্ট' হিসেবে যোগ দেন। বিমানে তার পরিচিতি নম্বর ছিল পি-৩৪৮১২। টানা দেড় বছর চাকরি করেন তিনি বিমানে।

পরবর্তীতে বিসিএস (প্রশাসন) দশম ব্যাচে যোগদান করেন মো. মোকাব্বির হোসেন। আর ছেড়ে দেন বিমানের চাকরি।

তবে চাকরি ছাড়লেও বিমান মোকাব্বির হোসেনকে ঠিকই মনে রেখেছে। ১২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপন জারি করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিবের (বিমান ও সিএ) দায়িত্বে থাকা মো. মোকাব্বির হোসেনকে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশে এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। যার মাধ্যমে দীর্ঘ ২৭ বছর পর আবারও কর্মজীবনের শুরুর সময়কার সহকর্মীদের মাঝে ফেরার সুযোগ হয় তার।

এ প্রসঙ্গে মো. মোকাব্বির হোসেন বলেন, বিমানের খুঁটিনাটি অনেক কিছু জানা থাকার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিমানকে সন্তানের আসনে পৌঁছানোর চেষ্টা করবো। সবাইকে নিয়ে কাজ করবো। সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া তা সম্ভব না।

আরএম/এনএফ/জেআইএম