উত্তরায় ফুটপাতে ডিএনসিসির অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩০ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযানে নেমেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে উত্তরার সোনারগাঁও জনপথ থেকে অভিযান শুরু হয়। পরে ১৩ নম্বর সেক্টর হয়ে ৭ নম্বর সেক্টরের ব্রিজের ওপর দিয়ে রাজলক্ষ্মী এলাকায় পৌঁছায় ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ফুটপাতের দুপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান, স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার।

dncc1

যদিও অভিযানের খবর আগেই পেয়ে অনেক দোকানি তাদের মালামাল গুটিয়ে নিয়েছেন। দুপুর ১টার দিকে রাজলক্ষ্মী মার্কেটের পেছনে ফুটপাত দখল করে অস্থায়ীভাবে গড়ে তোলা উত্তরা পূর্ব-পশ্চিম স্বেচ্ছাসেবক লীগের অফিসও গুঁড়িয়ে দেয় ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত

উচ্ছেদ অভিযান বিষয়ক সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘২২ সেপ্টেম্বর থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। ফুটপাত যত দিন পর্যন্ত দখলমুক্ত না হবে তত দিন পর্যন্ত অভিযান চলবে। সে ক্ষেত্রে এক এলাকায় যদি ৫-১০ দিনও লাগে তা করা হবে।’

dncc1

উত্তরার যেসব সড়ক-ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চলবে

ডিএনসিসি সূত্র জানিয়েছে, অঞ্চল-১ এর ১ নম্বর ওয়ার্ডে সোনারগাঁও জনপথ রোড, সাত নম্বর সেক্টরের ৩৫ নম্বর রোড, রবীন্দ্র সরণি, ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কের উভয় পাশ, জসিম উদ্দীন এভিনিউ, গাউসুল আজম এভিনিউ, ৭ নম্বর সেক্টরের ২৭ নাম্বার রোড, ঈশা খাঁ এভিনিউ, আলাউল এভিনিউ, শাহজালাল এভিনিউ, ৬ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোড, গরীবে নেওয়াজ এভিনিউ, বেড়িবাঁধ রোড (সেক্টর-৮), ৩ নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর রোড, ৯ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর রোড, ৯ নম্বর সেক্টরের ১ নম্বর রোড, ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোড, সেক্টর ১০ রানা ভোলা রোড, লেকপাড় রোড (সেক্টর-৭), ৭ নম্বর সেক্টরের ২৯ নম্বর রোড, ১০ নম্বর সেক্টরের ১২/এ নম্বর রোড, কাঁচা বাজার মোড় (সেক্টর ১২), ৩ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোড ও ৭ নম্বর রোড (ফ্রেন্ডস ক্লাব)। ১১ নম্বর সেক্টরের ১০/বি নম্বর রোড, ৭ নম্বর সেক্টরের ৩৪ নম্বর রোড, ১১ নম্বর সেক্টরের ১০ নম্বর রোড, ১ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর ও ৭ নম্বার রোড, ৯ নম্বর সেক্টরের কাঁচা বাজার রোড এবং শাহ মুখদুম রোড এলাকার সড়ক ও ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হবে।

এএস/এএইচ/এমএস