রোহিঙ্গাদের সহায়তায় আরও ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে যুক্তরাজ্য

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৭ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে অতিরিক্ত আরও ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।

২০১৭ সালের আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের চলমান সহায়তা এখন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ালো ২২৬ মিলিয়ন পাউন্ডে।

৮৭ মিলিয়ন পাউন্ডের অতিরিক্ত এ সহায়তা খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন, যৌন সহিংসতার শিকারদের সহায়তা ও কাউন্সেলিং এবং অসহায় ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্য হাইকমিশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন ও বাংলাদেশে ইউকে এইড প্রধান জুডিথ হারবার্টসন।

রোহিঙ্গা সংকটের ফলে কক্সবাজারে স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর যে প্রভাব পড়ছে তা প্রশমন তথা কক্সবাজার জেলার উন্নয়নে অতিরিক্ত সহায়তার ২০ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ রয়েছে। কক্সবাজার জেলার সমগ্র জনগোষ্ঠী যেন আন্তর্জাতিক সহায়তার সুফল ভোগ করে তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে যুক্তরাজ্য।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বলেন, ‘যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃঢ় ও টেকসই অংশীদারিত্ব সম্পর্ক বিদ্যমান যা বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে ওঠার রূপান্তরের সঙ্গে গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ যে উদারতা এবং মানবতা দেখিয়েছে আমরা ব্যাপকভাবে তার প্রশংসা করি।’

রবার্ট ডিকসন বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত এই সংকটের সমাধান বের করা, যেন রোহিঙ্গারা নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে স্বেচ্ছায় মিয়ানমার ফিরে যেতে পারে। তাদের ফিরে যাওয়ার জন্য যেন যথাযথ পরিবেশ নিশ্চিত হয় যুক্তরাজ্য সে ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

দাতাসংস্থা ইউকে এইড এর প্রধান জুডিথ হারবার্টসন বলেন, ‘ব্রিটিশ কর দাতাদের সহযোগিতায় ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে ইউকে এইড প্রায় ১ মিলিয়ন রোহিঙ্গার নিরবচ্ছিন্ন জীবনমান নিশ্চিত করতে ২২৬ মিলিয়ন পাউন্ড মানবিক সহায়তা দিয়েছে।’

জুডিথ হারবার্টসন বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার ও কক্সবাজারের জনগণের এমন বিশাল উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করি। একই সঙ্গে সেসব ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা জানাই যারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সহায়তা প্রদানের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।’

জেপি/এএইচ/জেআইএম