রাজনীতিকদের সদিচ্ছা ছাড়া নদীরক্ষা সম্ভব নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩০ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রাজনীতিকদের সদিচ্ছা ছাড়া নদীদূষণ প্রতিকার ও নদীরক্ষা সম্ভব নয়। এছাড়া সরকারি দফতরের ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার আইন প্রণয়ন করতে হবে বলে মত দিয়েছেন আলোচকরা।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সবুজ আন্দোলন নামক একটি সংগঠনের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের পানিদূষণ রোধে ইটিপি ফর্মুলা বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলককরণ’ শীর্ষক এক সভায় আলোচকরা এসব কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হাত থেকে নদীরক্ষা ও দূষণমুক্ত করা খুবই কঠিন। নদীদূষণ প্রতিকারে ও নদী রক্ষায় রাজনীতিকদের সদিচ্ছা ছাড়া সম্ভব নয়। এছাড়া আগামী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। নদীদূষণ প্রতিকার ও নদীরক্ষা করতে না পারলে সামনে আমাদের অনেক বড় বিপদ। সেই সঙ্গে পরিবেশ অধিদফতর ও নদীরক্ষাকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কমিশনের সকল হিসাব ও কাজকর্ম জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। নদী ও খাল দূষণমুক্ত করতে সকল কলকারখানা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সিটিপি ও ইটিপি প্লান্ট বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

এ সময় আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রত্যেক কারখানায় ইটিপি ফর্মুলার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে। কঠিন বর্জ্য পদার্থ পানিতে মিশতে দেয়ার পথ বন্ধ করতে হবে। মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদাভাবে ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন করতে হবে। নদীদূষণ রোধে উৎসমুখে বাঁধ দেয়াসহ ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। সড়ক সম্প্রসারণের নামে ইচ্ছামতো বাঁধ দিয়ে খালের ওপর সড়ক নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। বন্ধ হওয়া খালগুলোকে আবার ফিরিয়ে এনে খালে রূপান্তরিত করতে হবে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি বাপ্পি সরদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক এম মিজানুর রহমান, কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুবকর ছিদ্দিক প্রমুখ।

এএস/বিএ/জেআইএম