বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তায় নজর বিশ্বব্যাংক-জাতিসংঘের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৫৭ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সড়ক নিরাপত্তায় জাতিসংঘকে অনুসরণের আহ্বান জানাতে বাংলাদেশে এসেছেন জাতিসংঘের মহাসচিবের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বিশেষ দূত জ্যাঁ টড। তার সঙ্গে রয়েছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টভিগ শ্যাফার। সড়ক নিরাপত্তার প্রতিবন্ধকতা এবং কীভাবে সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করা যায়, সেসব বিষয় আলোচনা করতে গিয়ে জাতিসংঘকে অনুসরণ করতে বাংলাদেশকে আহ্বান জানাবেন তারা।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা মেহরিন আহমেদ মাহবুব জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আজ উনাদের আসার কথা রয়েছে। এখানে মূলত তারা সড়ক নিরাপত্তা নিয়েই আলাপ-আলোচনা করবেন।’

দুইদিনের এই সফরে বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের এই দুই প্রতিনিধি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তারা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ‘সবার জন্য নিরাপদ সড়ক’ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সড়ক নিরাপত্তায় দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের অনুষ্ঠান এটি, যেখানে বাংলাদেশকে যুক্ত করা হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতিসংঘের জ্যাঁ টড বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাংককে সঙ্গে নিয়ে আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশে সড়কে মৃত্যুর হার কীভাবে কমানো যায়, সেটার পথ খুঁজে বের করতে কার্যকর আলোচনার চেষ্টা করব। আমি বাংলাদেশকে আহ্বান করব, তারা সড়ক নিরাপত্তায় জাতিসংঘের প্রধান আইন বা নিয়মগুলো বাস্তবায়ন করুক। যা বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান কারণগুলোকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে।’

বিশ্বব্যাংকের হার্টভিগ শ্যাফার বলেছেন, ‘প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনা জীবন ও পরিবারের জন্য মহাবিপর্যয়। সড়ক নিরাপদ থাকলে অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনার ফলে যে ক্ষতি হয়, তা মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ২ থেকে ৫ শতাংশের সমান। জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথভাবে সড়ক নিরাপত্তায় বাংলাদেশের মতো অনেক দেশকে সহযোগিতার বিষয়টিকে স্বাগত জানাই।’

বিশ্বব্যাংক বলছে, নিরাপদ সড়ক এখন বৈশ্বিক উন্নয়ন সমস্যা। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ১ দশমিক ৩৫ মিলিয়ন মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছেন এবং ৫০ মিলিয়ন মানুষ গুরুতর আহত হচ্ছেন।

পিডি/বিএ/পিআর