মহিলা ও যুব সমাজকে ই-কমার্সে উদ্বুদ্ধ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:১৩ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০১৯
ফাইল ছবি

যুক্তরাজ্য সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশের মহিলা ও যুব সমাজকে ই-কমার্সে উদ্বুদ্ধ করতে কমনওয়েলথকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল যুগে তথ্য প্রযুক্তির বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সঠিক ও নিরাপদ হওয়া প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) লন্ডনের মার্লবরোহ হাউজে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীদের সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে অনেক সময় পারস্পরিক বিশ্বাস ও সংহতি বিনষ্টের চেষ্টা করা হয়ে থাকে। তাই তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু প্রটোকল থাকা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কমনওয়েলথকে ভূমিকা রাখতে হবে। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সেক্টরেও তথ্যপ্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে এখন এ সেক্টরে বিপুল দক্ষ জনশক্তি গড়ে উঠেছে। কমনওয়েলথের যে কোনো উদ্যোগে বাংলাদেশকে সংশ্লিষ্ট করা যেতে পারে। এতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো উপকৃত হবে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও কর্ম সম্পাদনের জন্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশের মধ্যে ভিসা সহজ হওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত শুক্রবারের বিজনেস ডায়ালগ অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাটজাত পণ্য এবং পর্যটন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করতে পারেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনে অনেক বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের উপযুক্ত স্থান। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য যৌথ বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনেক ব্রিটিশ বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত ক্ষেত্র যাচাই-বাছাই করছেন।

যুক্তরাজ্য সফররত শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বারের কর্মকর্তা এবং তরুণ উদ্যোক্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিসেস সাইদা মুনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

এমইউএইচ/এএইচ/এমএস