‘দেশে দ্রুতহারে বাল্যবিয়ের সংখ্যা কমে এসেছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৮ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০১৯

সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে দেশে দ্রুতহারে বাল্যবিয়ের সংখ্যা কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

রোববার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘দেশে নারী ও শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষ বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করতে সোচ্চার এবং ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।’

বাল্যবিয়ে নিরোধ সমাবেশে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে বিশ্ব নেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে বাল্যবিয়ের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড গার্লস সামিটে ২০২১ সালের মধ্যে ১৫-১৮ বছর বয়সী নারীর বাল্যবিয়ের হার এক-তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাল্যবিয়ে পুরোপুরি নির্মূলের অঙ্গীকার করেন।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নারীর অধিকার মানবাধিকার। একজন নারীর কখন বিয়ে হবে সে অধিকার নারীর নিজের। স্বাস্থ্যসেবাও নারীর মৌলিক অধিকার। বাল্যবিয়ের কারণে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নারীরা এসব অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

বাল্যবিয়ে রোধে বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে দেশে দ্রুতহারে বাল্যবিয়ের সংখ্যা কমে এসেছে।’ তবে তিনি কোনো পরিসংখ্যান দেননি।

বাল্যবিয়ে নিরোধ দিবস উদযাপন উপলক্ষে রোববার দেশব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয়ভাবে বাল্যবিয়ে নিরোধ দিবস পালনের লক্ষ্যে একযোগে দেশের সব জেলা ও উপজেলায় বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মানববন্ধনে সরকারি, বেসরকারি ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে বাল্যবিয়ে নিরোধ দিবসের মানববন্ধনে আরও বক্তৃতা করেন মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার, মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক বদরুন নেসা ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কাজল ইসলাম ও বাংলাদেশে শিশু একাডেমির মহাপরিচালক জ্যোতি লাল কুরীসহ বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

আরএমএম/এএইচ/এমএস