আসামে বাংলাদেশি কূটনীতিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০৪ পিএম, ১৬ অক্টোবর ২০১৯
প্রতীকী ছবি

ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে বাংলাদেশের সাবেক সহকারী হাইকমিশনার কাজী মুনতাসির মুর্শেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন সেখানকার এক নারী। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও অভিযোগ করেছেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর পাঠানো এক ই-মেইলে এ ঘটনার বিচার চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মেইলটির অনুলিপি পররাষ্ট্র সচিবসহ বিভিন্ন অনুবিভাগের মহাপরিচালকদের কাছেও পাঠানো হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ওই নারীর অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি এ ঘটনা ঘটে। ওই নারী অভিযোগ করেন চলতি বছরের ১ অক্টোবর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেন, ‘বিষয়টি প্রশাসনিক। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

অভিযুক্ত মুনতাসির মুর্শেদকে গুয়াহাটি থেকে ফিরিয়েও আনা হয়েছে। তিনি এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠানো ই-মেইলে ওই নারী লিখেছেন, ‘তিনি জানতে পেরেছেন যে, ধর্ষণের অভিযোগ সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রশাসন কাজী মুনতাসির মুর্শেদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতার অভিযোগ এনে তাকে রক্ষার চেষ্টা করছে।’

ই-মেইলে নিজের পরিচয় জানিয়ে অভিযোগকারী নারী তার সঙ্গে মুনতাসির মুর্শেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হওয়া চ্যাটিংয়ের দুটি স্ক্রিনশটও পাঠিয়েছেন। ওই নারীর দাবি, সেটি নিছক কোনো সামাজিক চ্যাটিং ছিল না। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ীই মুনতাসির তার ওপর যৌন নিপীড়ন চালান।

আসামের ওই নারী লিখেছেন, ‘মুনতাসির নিজেকে অবিবাহিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। প্রথম সাক্ষাতেই মুনতাসির আমাকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেছিলেন এবং আমি বাধ্য হয়েছিলাম। এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং আমি তার (মুনতাসিরের) নৃশংসতার শিকার হয়েছি।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুনতাসির মুর্শেদ বলেন, একটি পক্ষ তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]