বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়-যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২৮ পিএম, ০২ নভেম্বর ২০১৯

বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন।

শনিবার (২ নভেম্বর) শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এ দাবি জানান।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনসহ (পবা) সুবন্ধন সামাজিক কল্যাণ সংগঠন, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, গ্রিন ফোর্স, পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চ, বিসিএইচআরডি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পর্যাপ্ত মানসম্মত বাস না থাকায় মোটর সাইকেল, পাঠাও, উবারসহ বাড়ছে অন্য পরিবহন। এতে মানুষের দুর্ভোগ ও পরিবহন ব্যয় বাড়ছে, বাড়ছে যানজট ও নৈরাজ্য। বিভিন্ন রুটে যে পরিমাণ বাস চালানোর কথা তা চলছে না। একটি সিন্ডিকেট পুরো পরিবহন সেক্টর দখলে নিয়েছে। পরিবহন সিন্ডিকেট হাইকোর্টের রুলকেও পরোয়া করে না। তাদের জিম্মায় চলে যাচ্ছে কোম্পানির বাস। যে কারণে যাত্রীরা সঠিক সেবা পাচ্ছে না। বিভিন্ন কোম্পানি যে পরিমাণ ও যে মানের বাস চালানোর শর্তে রুট পারমিট পায় তারা তার চেয়ে অনেক কম পরিমাণ এবং নিম্নমানের বাস চালায়।

তারা আরও বলেন, কোম্পানির যেখানে ৫০টি বাস চালানোর কথা সেখানে তারা চালাচ্ছে ১০টি। যাত্রীদের গাদাগাদি করে এবং অতিরিক্ত ভাড়া দিতে বাধ্য করার জন্য কোম্পানিগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে কম বাস চালায়। যাত্রীরা যথেষ্ঠ যানবাহন না পেয়ে চলন্ত বাসে ঝুঁকি নিয়ে উঠানামা করে এতে দুর্ঘটনা বেড়ে যায়। অন্যদিকে চাহিদা থাকায় গেট লক না দিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে বাস কোম্পানিগুলো।

সড়ক পরিবহন ২০১৮ আইন বাস্তবায়ন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বক্তারা বলেন, এরই মধ্যে মাঠ পর্যায়ে কিছু কিছু প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে। যেমন সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচলের লক্ষ্যে জনগণের জন্য ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিধান করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে আইন অমান্য করা হলে জরিমানা হবে। কিন্তু রাজধানীতে কোথাও স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল নাই। পাবলিক বাস সার্ভিসের মানোন্নয়নে দক্ষভাবে পাবলিক বাস পরিচালনার জন্য অভিভাবক সংস্থা রাখা ও কর্মরত সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করা দরকার।

পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, নাসফের সাধারণ সম্পাদক মো. তৈয়ব আলী, পবা’র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ. মো. আবদুস সোবহান, পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চের সভাপতি আমির হাসান, সদস্য জি এম রুস্তম খান, সুবন্ধন সামাজিক সংগঠনের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, খেলা ঘরের সাধারণ সম্পাদক রুনু আলী প্রমুখ।

এএস/এএইচ/জেআইএম